ডেঙ্গিতে প্লেটলেট কাউন্ট কমে গিয়েছে? বাঁচতে চাইলে শিগগির পাতে রাখুন এই ৫ ফল…

ডেঙ্গিতে প্লেটলেট কাউন্ট কমে গিয়েছে? বাঁচতে চাইলে শিগগির পাতে রাখুন এই ৫ ফল…

প্লেটলেট বা অনুচক্রিকা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি মাইক্রোলিটার রক্তে স্বাভাবিক প্লেটলেটের মাত্রা দেড় লক্ষ থেকে সাড়ে চার লক্ষ। আর প্লেটলেট কাউন্ট কমে গেলে ইন্টারনাল ব্লিডিংয়ের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তবে অনেকেই মনে করেন যে, প্লেটলেট কাউন্ট কেবলমাত্র ডেঙ্গি হলেই কমে যায়। এমনটা কিন্তু একেবারেই নয়। অন্যান্য রোগের কারণেও প্লেটলেট কমতে থাকে। ফলে বোঝাই যাচ্ছে যে, প্লেটলেট কাউন্ট স্বাভাবিক মাত্রায় রাখা আবশ্যক। তবে প্লেটলেট কাউন্ট কমে গেলে তা বাড়ানোর উপায় রয়েছে লুকিয়ে রয়েছে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের মধ্যেই। এর জন্য শুধু পাতে রাখতে হবে কয়েকটি ফল। দেখে নেওয়া যাক, সেইসব ফলের তালিকা।

কিউয়ি:

এই ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি পাওয়া যায়। আর এই ভিটামিন প্লেটলেট কাউন্ট বাড়াতে দারুণ সহায়ক। শুধু তা-ই নয়, কিউয়ি আবার অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। যা সেল অক্সিডেশন প্রতিরোধ করে এবং প্লেটলেটের স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপ বজায় রাখতে সাহায্য করে।

পেঁপে:

পেঁপের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে উৎসেচক এবং পুষ্টি উপাদান থাকে। যা প্লেটলেটের উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করে। এর পাশাপাশি পেঁপে ভিটামিন এবং মিনারেলের দারুণ উৎস। এর ফলে এই ফল দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম।

আমলকি:

আমলকির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এটি শ্বেত রক্তকণিকা এবং প্লেটলেটের উৎপাদন বৃদ্ধি করে। প্রাকৃতিক ইমিউনিটি বুস্টার হিসেবেও কাজ করে আমলকি। ফলে রোগ এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে এই ফল।

ডালিম:

ডালিমের বীজ আয়রনে ভরপুর। যা রক্ত কণিকা উৎপাদন বৃদ্ধি করে। সেই সঙ্গে প্লেটলেট কাউন্টও বাড়িয়ে দেয়। এর পাশাপাশি এই ফলের মধ্যে থাকে ভিটামিন-সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা ইমিউনিটি বাড়ায় এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

কুমড়ো:

প্লেটলেট কাউন্ট বাড়ানোর জন্য কুমড়োর জুড়ি মেলা ভার! কারণ এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে থাকে ভিটামিন-এ। যা অস্থিমজ্জাকে উদ্দীপিত করে। যার ফলে দেহে আরও বেশি পরিমাণে প্লেটলেট তৈরি হয়।

(Feed Source: news18.com)