পাহাড়ের কোলে মংপুর গাছ-বাড়ি! রাত কাটাতে চাইলে কী করতে হবে? এখুনি জানুন

পাহাড়ের কোলে মংপুর গাছ-বাড়ি! রাত কাটাতে চাইলে কী করতে হবে? এখুনি জানুন

দার্জিলিং :    পাশেই সিংকোনা বন আর ঢেউ খেলানো পাহাড়। উচু-নিচু ঢালের রাস্তা। একদিকে জানালা খুলেই রবীন্দ্র ভবন। এর মধ্যেই গাছের ওপরে থাকার জায়গা। দু’দিন একটু অন্যভাবে রাত কাটাতে হলে আসতে হবে মংপুর গাছবাড়িতে। মংপু আজও বড্ড নিরিবিলি। পাহাড় এখানে খোলামেলা, মেঘ, কুয়াশা, রোদ্দুর পালাক্রমে খেলা করে চলেছে পরস্পরের সঙ্গে। মংপুর বড় আকর্ষণ একদিকে সিঙ্কোনা বাগান অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ। কবিগুরুর স্মৃতি বিজড়িত বাড়িটি এখন রবীন্দ্রভবন।

মংপুতে ইতিমধ্যেই কবির বাসভবনের পাশেই তৈরি হয়েছে একটি কটেজ। তাকদার বিডিও-র অধীনে রয়েছে এই কটেজটি। সেখানে যোগাযোগ করে কটেজটিতে থাকতে পারবে আগ্রহী পর্যটকরা। এছাড়া সিঙ্কোনা প্ল্যান্টেশনের তরফে একটি ট্রি হাউস তৈরি করা হয়েছে। রবীন্দ্রভবনে ঢোকার মুখেই এই ট্রি হাউস বা গাছ বাড়ি। গাছের ওপর বাড়ি। সেই বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা, রাত্রি যাপনের সমস্ত রকম ব্যবস্থা রয়েছে। ইতিমধ্যেই ট্রি হাউসের সমস্ত ইন্টিরিয়র এর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি পর্যটকদের জন্য এই ট্রি হাউস খুলে দেওয়া হবে। কেউ চাইলেই সেখানে গাছের ওপর সেই বাড়িতে থাকার সুযোগ পাবেন।

রবীন্দ্রভবনের তত্ত্বাবধায়ক কুশল রাই বলেন ‘ মংপু চিরকালই খুবই শান্ত জায়গা। এই জায়গায় সাইট সিন করতেই সকলে আসে। তবে রবীন্দ্র ভবনকে নতুন রূপে সাজিয়ে তোলার পর থেকে ধীরে ধীরে লোকের আনাগোনা অনেকটাই বেড়েছে। তাই পর্যটকদের কথা ভেবে এখানে সিঙ্কোনা প্ল্যান্টেশনের তরফে একটি ট্রিহাউস তৈরি করা হয়েছে। তবে এখনই পর্যটকদের জন্য খোলা হয়নি এই ট্রি হাউস।’ স্বাভাবিকভাবেই এই ট্রিহাউস পর্যটকদের জন্য এক নতুন আকর্ষণ হতে চলেছে বলে আশাবাদী তারা।

অনির্বাণ রায়

(Feed Source: news18.com)