
বিশ্ব মজুমদার, ত্রিপুরা: ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন ‘ত্রিপুরার রবিনহুড’ সুদীপ রায় বর্মণ। আগরতলা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি। তাঁর কথায়, ” দিনের শেষে সত্যের জয় হয়, হবে! বিজেপি বিশ্রীভাবে পরাস্ত হবে।”
আপনি কি মনে করেন, ত্রিপুরায় কংগ্রেসের অস্তিত্বের সংকট রয়েছে?কংগ্রেস এমন একটা দল, যে মানুষের কথা ভাবতে ভাবতে দলের স্বার্থের কথা ভুলে যায়। অনেকে কংগ্রেস ছেড়ে চলে যান, আবার ফিরে আসেন। আমিই-ই তো উদাহরণ। কঠিন সময় দিয়ে উথ্থান-পতন হবে, কিন্তু কংগ্রেস কখনওই শেষ হবে না।
ত্রিপুরায় কংগ্রেসের ভোট বিজেপি-তে গিয়েছে। পুরুদ্ধার কতটা সম্ভব?
১০০ শতাংশ পুনরুদ্ধার হবে। বিজেপি ‘সিঙ্গল ডিজিট’ অতিক্রম করবে না।
কোন বিশ্বাস থেকে এ’কথা বলছেন?
আমি মানুষে বিশ্বাস করি। মানুষের পিঠ দেওয়ালে গিয়ে ঠেকেছে, এবার তারা ঘুরে দাঁড়াবে।
আপনি কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন, আবার কংগ্রেসে ফিরে এলেন! গেলেন-ই বা কেন? ছাড়লেন-ই বা কেন?
ওইসময়ে ত্রিপুরা সরকারে ২৫ বছর একটানা রা্জত্বের ফলে খানিক একঘেয়েমি, খানিক অহঙ্কার, খানিক ঔদ্ধত্ব দেখা দিয়েছিল। বলতে পারেন, খানিক বাধ্য হয়েছিলাম বিজেপি-তে যোগ দিতে।
তাহলে মানিক সরকারের কথাই কি ঠিক? ‘কুমির’ ছেড়ে ‘হাঙড়’ ডেকে এনেছেন ত্রিপুরায়?
আমরা চোর খেদাতে গিয়ে ডাকাত ডেকে এনেছি।
কিন্তু এটাও তো ঠিক, পুরসভা নির্বাচনের দিন, যখন বিজেপি-র বিরুদ্ধে সন্ত্রাশের অভিযোগ উঠেছে, তখন তৃণমূলকে বাঁচাতে আপনি রাস্তায় নেমেছিলেন…
তৃণমূল নয়, আমি গণতন্ত্রকে বাঁচাতে, মানুষকে বাঁচাতে রাস্তায় নেমেছিলাম। তৃণমূল সেই লাভটা নিয়েছে।
সাক্ষাৎকার: বিশ্ব মজুমদার, এডিটর ইস্ট, নেটওয়ার্ক ১৮
