একা কংগ্রেস নয়, রাহুলের সাংসদ পদ বাতিল হতেই বদলে গেল কেজরীওয়ালের অবস্থানও

একা কংগ্রেস নয়, রাহুলের সাংসদ পদ বাতিল হতেই বদলে গেল কেজরীওয়ালের অবস্থানও

#নয়াদিল্লি: সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে যতই বারেবারে বিরোধী ঐক্য ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হোক না কেন, এতদিন কংগ্রেসের নেতৃত্ব নিয়ে যে দলগুলির আপত্তি ছিল তার মধ্যে অন্যতম আম আদমি পার্টি ৷ দিল্লির পর গুজরাত, হিমাচলের মতো রাজ্যেও আপের সঙ্গে কংগ্রেসের মুখোমুখি লড়াই হয়েছে৷ পঞ্জাবে কংগ্রেসের থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে অরবিন্দ কেজরীওয়ালের দল৷

আপ, তৃণমূলের মতো দলগুলির সঙ্গে কংগ্রেসের মতপার্থক্যই বিরোধী জোটের পথে অন্যতম কাঁটা ছিল৷ শুধু রাহুলের পাশে দাঁড়ানো নয়, রাহুল গান্ধির শাস্তির পর সাজাপ্রাপ্ত সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল নিয়ে নিজের আগের অবস্থানও বদলে ফেলেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল৷

কিন্তু রাহুল গান্ধির সাংসদ পদ খারিজের পরেই ছবিটা যেন বদলে গেল। রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের পর পরই ট্যুইট করে কংগ্রেস নেতার পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন মমচা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ একই পথে হাঁটলেন আপ প্রধান এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়ালও৷  শুক্রবার  রাহুল গান্ধির সাংসদ পদ খারিজ করেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা৷ গতকালই সুরাত আদালত ২০১৯ সালের এর একটি মানহানির মামলায় রাহুল গান্ধিকে দোষী সাব্যস্ত করে ২ বছরের কারাদণ্ড দেয় সুরাতের আদালত ৷ তারই জেরে শুক্রবার রাহুল গান্ধির সাংসদ পদ বাতিলের নির্দেশ দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা৷

২০১৩ সালে সুপ্রিম কোর্টে লিলি থমাস বনাম ইউনিয়ন ব্যাঙ্কের মামলায় সুপ্রিম কোর্ট জনপ্রতিনিধি আইনের একটি অনুচ্ছেদকে বাতিল করে দেয়৷ ওই আইন বলে, সাজাপ্রাপ্ত হলেও নব্বই দিনের মধ্যে আদালতের নির্দেশের বিরুদ্ধে আবেদন করলে জনপ্রতিনিধি থাকা যেত৷ সেই ক্ষমতাই প্রত্যাহার করে সুপ্রিম কোর্ট৷

(Feed Source: news18.com)