শাহের অরুণাচল সফর নিয়ে আপত্তি চিনের, নাক গলানোর মোক্ষম জবাব দিল ভারত

শাহের অরুণাচল সফর নিয়ে আপত্তি চিনের, নাক গলানোর মোক্ষম জবাব দিল ভারত

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের অরুণাচল প্রদেশ সফর নিয়ে আপত্তির কথা জানিয়েছিল চিন। এবার এনিয়ে কড়া বার্তা দিল ভারত। ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অরুণাচল আমাদের ছিল, আছে ও আমাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ চিরদিন থাকবে। বিদেশ দফতরের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি একটি বিবৃতিতে একথা জানিয়েছেন। তিনি পরিষ্কার জানিয়েছেন, এই ধরনের সফরে আপত্তি জানানোর কোনও মানে হয় না। এজন্য় বাস্তবে কোনও কিছুরই পরিবর্তন হবে না।

চিনের সরকারি মুখপাত্র যে মন্তব্য করেছিলেন তা পুরোপুরি খারিজ করে দিচ্ছি। ভারতের অন্য়ান্য রাজ্যে যেভাবে ভারতীয় নেতারা যান সেভাবেই অরুণাচলেও রুটিন ভিজিটে যাবেন।

এদিকে সোমবার চিনের তরফে বলা হয়েছিল, অরুণাচল প্রদেশে অমিত শাহের সফর বেজিংয়ের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বকে লঙ্ঘন করছে। এটা সীমান্ত বরাবর শান্তি রক্ষার অন্তরায়। চিনের তরফে উত্তর পূর্বের রাজ্য সাউথ তিব্বত যেটি তিবেত স্বয়ংশাসিত অঞ্চলের মধ্যে পড়ে সেটিকেও দাবি করেছিল। সেখানেও যাতে তাদের রাষ্ট্রের কেউ না যায় সেব্যাপারে চিনের তরফে বলা হয়েছে।

চিনের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, সাউথ তিবেত হল চিনের এলাকা।

এদিকে সম্প্রতি বেজিং গত সপ্তাহে অরুণাচল প্রদেশের একাধিক জায়গার নামকরণ করে দিয়েছিল। সব মিলিয়ে ১১টি জায়গার নামকরণ করে ফেলে তারা। তার মধ্যে পাহাড়ের শৃঙ্গও রয়েছে। কিন্তু কেন তারা এভাবে অরুণাচলের মধ্য়ে নাক গলাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্নটা থেকেই গিয়েছে। সে পটভূমিকায় অরুণাচল সফরে যান অমিত শাহ।

অমিত শাহ পরিষ্কার জানিয়ে দেন, ভারতের এলাকার মধ্যে কেউ খারাপ নজর দেওয়ার সাহস দেখাবেন না। আমাদের এক ইঞ্চি জমিও কাউকে দখল করতে দেব না। তিনি জানিয়ে দেন আগে যেভাবে ভারতের সীমান্ত এলাকায় দখল করত অন্যরা সেই সব দিন পেরিয়ে গিয়েছে।

তবে এবারই প্রথম নয়, এর আগেও অরুণাচল প্রদেশে ভারতের কেউ সফরে গেলে সেখানে আপত্তি তুলত চিন। ২০১৭ সালে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ যখন গিয়েছিলেন তখনও এনিয়ে আপত্তি তুলেছিল চিন। তারপর ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেখানে যাওয়ায় আপত্তি তোলা শুরু করেছিল চিন। এবার অমিত শাহ যেতেও তাদের গা জ্বালা শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার মোক্ষম জবাব জানিয়ে দিয়েছে ভারত। সেই সঙ্গেই অমিত শাহ কার্যত কড়া বার্তা দিয়েছেন অরুণাচলের মাটিতে দাঁড়িয়ে।

(Feed Source: hindustantimes.com)