সর্দি-জ্বরের অজুহাতে রোজই অফিস কামাই! এবার মিথ্যের পর্দা ফাঁস করবে এআই!

সর্দি-জ্বরের অজুহাতে রোজই অফিস কামাই! এবার মিথ্যের পর্দা ফাঁস করবে এআই!

কলকাতা: এবার কি ছুটি নিতেও বাধা দেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা! তেমনই আশঙ্কার কথা জানা যাচ্ছে এক সাম্প্রতিক গবেষণা থেকে। সর্দি জ্বরের অজুহাতে অফিসে ছুটি নিলে এবার ডেকে পাঠাতে পারেন বস। সত্যিই সর্দি জ্বর হয়েছে কি না, কর্মী আদৌ অসুস্থ কি না, তা বসকে জানিয়ে দেবে এআই টুল।

আসলে বিজ্ঞানীরা এমনই এক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উদ্ভাবন করেছেন যা অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে ছুটি নেওয়া কর্মচারীদের সত্যতা প্রকাশ করে ফেলবে।

সামান্য সর্দি জ্বরের অজুহাতে অনেকেই দু’একদিন ছুটি নিয়ে থাকেন। এই টুল বাজারে এলে সেই স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ তো হবেই। মনে করা হচ্ছে, এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনও কর্মী, সত্যি অসুস্থ কি না তা যাচাই করতে পারে তাঁর কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে। দেখে নেওয়া যাক কীভাবে কাজ করে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কথা। গুজরাতের সর্দার বল্লভ ভাই ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির গবেষকরা ৬৩০ জন মানুষের কণ্ঠস্বর নিয়ে গবেষণা করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছেন।

এই ৬৩০ জন মানুষই ঠান্ডা লাগা বা সর্দি জ্বর হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন। কিন্তু পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে মাত্র ১১১ জনই প্রকৃত ফ্লুতে আক্রান্ত ছিলেন, বাকিরা সম্পূর্ণ সুস্থ।

জানা গিয়েছে, গবেষণায় মানুষের কণ্ঠস্বরের ধরন পরীক্ষা করা হয়। গবেষকরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মানুষের কন্ঠের ছন্দের উপর একটি গভীর গবেষণা করেছেন। আর তার ফলেই আসল সত্য প্রকাশিত হয়ে পড়েছে সর্দি জ্বরের কারণে হারমোনিক কম্পাঙ্কের পরিবর্তন হয়।

সেই পরিবর্তনকেই ব্যাখ্যা করছে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যন্ত্র। সাধারণত ব্যক্তি কন্ঠস্বরের ছন্দের পরীক্ষা করে রোগ সনাক্ত করবার মতো ক্ষমতা কোনও যন্ত্রের নেই। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এই কাজটি খুব সহজেই করে ফেলেছে।

কীভাবে ধরা পড়ল মিথ্যে?

গবেষকরা ওই ৬৩০ জন মানুষকে ১ থেকে ৪০ পর্যন্ত গণনা করতে বলেছিলেন। এরপর তাদের জিজ্ঞাসা করা হয় গোটা সপ্তাহান্তটি তিনি কীভাবে কাটিয়েছিলেন। তারপর একটি গল্প শোনানোরও অনুরোধ করা হয় ওই ব্যক্তিকে। এই গবেষণায় গবেষকরা ৭০ শতাংশ নির্ভুল ফল পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন।

(Feed Source: news18.com)