
মিডডে মিলে পড়ুয়াদের যে খাবার পরিবেশন করা হয়, তার গুণমান কেমন? আদো তাতে কতটা পুষ্টি পায় একরত্তি শিশু? এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সেই উত্তর দেবে। মহারাষ্ট্রের এক আইএএস অফিসারের তৎপরতায় আদিবাসী স্কুলে অত্যাধুনিক এআই যন্ত্র বসানো হল। রোজকার পরিবেশিত খাবার সেই যন্ত্রের কাছে নিয়ে গেলেই বোঝা যাবে কতটা পুষ্টিগুণ রয়েছে খাবারে। আইএএস অফিসার শুভম গুপ্ত তোড়সা আরম স্কুলে এই বিশেষ যন্ত্রটি বসানোর পরিকল্পনা করেন।
মিডডে মিল দুর্নীতি নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্যের টানাপোড়েন তুঙ্গে। তবে শুধু আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ মিডডে মিল দুনীর্তির কেন্দ্রে তা নয়। প্রায়ই অভিযোগ ওঠে, খাবারের গুণমান নিয়ে। মিডডে মিলের জন্য পড়ুয়া পিছু বরাদ্দ অর্থে আদৌ কতটা পুষ্টি সাধন হচ্ছে একরত্তি ‘ভবিষ্যৎ’গুলোর? সে প্রশ্ন বারবার উঠেছে। আর উত্তরও থেকে গিয়েছে অধরা। এসব বিতর্কের আবহের মাঝে মহারাষ্ট্রের এক আইএএস অফিসারের এমন উদ্যোগ রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছে।
তবে হঠাৎ এমন পরিকল্পনার কথা ভাবা হল কেন? আইএএস অফিসার শুভম সংবাদমাধ্যম এএনআইকে জানান, ওই স্কুলের মোট ২২২ জন পড়ুয়ার মধ্যে ৬১ জন অপুষ্টিতে ভোগে। তোড়সা আশ্রম স্কুলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে বিএমআই পরীক্ষা করা হয় সব পরীক্ষার। সেই পরীক্ষাতেই ধরা পড়ে অপুষ্টির সমস্যা। শুভম বলেন, এই স্কুলে দিনে তিনবার খাবার দেওয়া হয়। খাবারের মানের দিকে নজর রাখা হয়, এমনকী খাদ্যতালিকাও নিয়মিত মেনে চলা হয়। তারপরেও এই অপুষ্টির কারণ কী তা জানতেই এই বিশেষ যন্ত্রের ব্যবস্থা। এই দিন এএনআইয়ের তরফে একটি ভিডিয়ো শেয়ার টরা হয়। সেখানে দেখা যায়, যন্ত্রটি কীভাবে কাজ করে তা বুঝিয়ে দিচ্ছেন আইএএস অফিসার শুভম গুপ্ত। ভিডিয়োতে একটি কিশোরী পড়ুয়া মেশিনে এসে দাঁড়ায় ও খাবার রাখে মেশিনের আরেক জায়গায়। এই অবস্থায় সমস্ত মাপগুলি কীভাবে কাজ করে তাও বুঝিয়ে দেন তিনি। এবার আসল কারণের খোঁজ পাওয়ার অপেক্ষায় প্রশাসন।
(Feed Source: hindustantimes.com)
