
কলকাতাঃ ফের কোটা ডিভিশনে ট্রায়াল হচ্ছে বন্দে ভারত ট্রেনের। কোটা-সাওয়াই মাধোপুর বিভাগে বন্দে ভারতের ১৬টি কোচের ব্রেকিং সিস্টেম পরীক্ষা করা হচ্ছে। রিসার্চ স্ট্যান্ডার্ডস অর্গানাইজেশন, লখনউয়ের টিম বিভিন্ন ধরনের ব্রেক প্রতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৬০ কিলোমিটার গতিবেগে পরীক্ষা করা হয়েছে। জরুরি ব্রেক প্রয়োগ করে এটি বেশ কয়েক বার পরীক্ষা করা হয়েছিল। সোমবারের এই টেস্টিংয়ের সময় শুষ্ক পরিস্থিতির সঙ্গে পরিস্থিতি আরও প্রতিকূল করে তোলার জন্য চলন্ত গাড়ির চাকায় ক্রমাগত জল ঢেলে ব্রেকিং করা হয়েছিল।
পরীক্ষার সময় গুড়লা থেকে লাবান স্টেশন পর্যন্ত তিনটি রাউন্ডে মোট ২১ বার ঘণ্টা প্রতি ১৬০ কিলোমিটার গতিতে ব্রেকিং করা হয়েছিল। বলে রাখা ভাল যে, কোটা মণ্ডল আসলে উচ্চ গতির ট্রায়ালের জন্য সুপরিচিত। সাম্প্রতিক কালে আইসিএফ বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ব্রেকিং সিস্টেমে একটি নতুন উন্নয়ন আনয়ন করা হয়েছে। আরডিএসও এবং কোটা মণ্ডলের আধিকারিকদের তত্ত্বাবধানে যাত্রীর ওজনের সমান ওজন রেখে শুকনো এবং ভেজা ট্র্যাকে ব্রেকিং সিস্টেমের পরীক্ষা করা হচ্ছে।
পরীক্ষার সময় ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার মণীশ তিওয়ারি, এডিআরএম মনোজ কুমার জৈন, সিনিয়র ডিভিশনাল অপারেশন ম্যানেজার সৌরভ জৈন, সিনিয়র ডিভিশনাল ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার (টিআরও) গৌরব শ্রীবাস্তব এবং অন্যান্য অফিসাররা গুড়লা থেকে কাপরেন স্টেশনের মধ্যে পরীক্ষার পদ্ধতিগুলি পরিদর্শন করেছেন। এর আগে গত ২৪ অগাস্ট বন্দে ভারত ট্রেনের একটি রেকের গতিবেগ পরীক্ষার জন্য কোটা স্টেশনে পৌঁছেছিল। কোটা বিভাগের কোটা-নাগদা সেকশনে বন্দে ভারত ট্রেনের স্পিড ট্রায়াল ১২০ কিলোমিটার থেকে ১৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে রাখা হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই উদ্বোধন হয়েছে হাওড়া-পুরী রুটের বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের। আবার গত কালই নিউ জলপাইগুড়ি-গুয়াহাটি রুটের বন্দে ভারত উদ্বোধন করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গ পেল মোট তিনটি বন্দে ভারত। আর উত্তর-পূর্ব ভারত পেল সেখানকার প্রথম বন্দে ভারত। ৪০৯ কিলোমিটার রাস্তা মাত্র সাড়ে পাঁচ ঘণ্টায় পৌঁছে দেবে এই ট্রেন।
