
সিউল: কিম জং উন পাগলাটে নেতা সেটা সবাই জানেন। স্বৈরাচারী শাসক এবং অত্যাচারী রাজা বললেও ভুল বলা হয় না। উত্তর কোরিয়ায় কিম জং শেষ কথা। তার যখন যা মনে হবে সেটাই করবেন। এই মুহূর্তে নাকি কিম জং মজে আছেন হাঙ্গরের মাংস, রাশিয়ান ভদকা এবং ব্রাজিলের কফিতে। আর দেশের জনগণ দুবেলা খেতে পারছেন না। সিউলের কর্মকর্তা এই বৈঠককে কার্যত ভয়াবহ খাদ্য ঘাটতি মেনে নেওয়ার সমতুল্য বলে দাবি করছেন।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ৩৮ নর্থ প্রোগ্রাম নামের নিরীক্ষা সংস্থা জানায়, উত্তর কোরিয়ায় খাদ্য সরবরাহ দেশের জনগণের ন্যুনতম চাহিদার চেয়েও কমে গেছে। সংস্থার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি ৯০ এর দশকের দুর্ভিক্ষের চেয়েও খারাপ অবস্থায় আছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদ্য ঘাটতির পেছনে মূল কারণ বৈরি আবহাওয়ার মাঝে শস্যের ফলন আশানরূপ না হওয়া।
লকডাউন ও করোনাভাইরাসের কারণে চিনের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ হয়ে বাণিজ্য কমে যাওয়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। এছাড়াও, নিষিদ্ধ ঘোষিত পারমাণবিক ও ব্যালিসটিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি অব্যাহত রাখার কারণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে উত্তর কোরিয়া ব্রাত্য। গত বছর দেশটির শস্য উৎপাদনের প্রাক্কলিত পরিমাণ ছিল ৪৫ লাখ টন।
A choice between starvation or execution for trying to flee – BBC interviews from inside North Korea reveal worsening food crisis and brutality https://t.co/klQjwOKo00
— BBC Breaking News (@BBCBreaking) June 14, 2023
