এনসিপিতে এখন জুনিয়ার পাওয়ার বনাম সিনিয়ার পাওয়ারের ‘শক্তি’ সংঘাত! এককালে শরদ পাওয়ারের ঘনিষ্ঠ হিসাবে নাম ছিল প্রফুল্ল প্যাটেলের। তিনিই অজিতকে দলের পরিষদীয় নেতা ঘোষণা করেন।
1/6 রাজনীতিতে সাধারণত মন্তব্য আর পাল্টা মন্তব্যের কথা শোনা যায়, তবে মারাঠা রাজনীতির পারদ চড়িয়ে এনসিপির অন্দরে এখন ছাঁটাই আর পাল্টা ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটছে। রবিবার মারাঠাভূমকে সরগরম রেখে এনডিএর সঙ্গে হাত মিলিয়ে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন অজিত পাওয়ার। এরপর, শরদ পাওয়ারের এনসিপি পর পর ছাঁটাইয়ের রাস্তা নিয়েছে। তিন নেতাকে দল থেকে করা হয়েছে ছাঁটাই। দলের সদস্যপদও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ছাঁটাইয়ের লড়াইতে পিছিয়ে নেই অজিত শিবিরও। 2/6 অজিত পাওয়ার ও প্রফুল্ল প্যাটেল শিবির সদ্য দাবি করেছেন, এনসিপির সিংহভাগ গোষ্ঠী তাঁদের সঙ্গেই আছেন। তাঁরা পার্টি থেকে জয়ন্ত পাটিলকে ছাঁটাই করার কথা ঘোষণা করেছেন। এদিকে, এনসিপির শরদ পাওয়ার শিবিরের তরফে জয়ন্ত পাটিল ছিলেন রাজ্যের পার্টি প্রধান। এদিকে, শরদ পাওয়ার প্রফুল্ল প্যাটেলকে কার্যকরী সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। ছেঁটে ফেলেছেন সুনীল তাতকারের সদস্যপদ। আবার সেই সুনীল তাতকারেকেই এনসিপির রাজ্য প্রধান ঘোষণা করেছে প্রফুল্ল ও অজিতের ক্যাম্প। 3/6 এনসিপিতে এখন জুনিয়ার পাওয়ার বনাম সিনিয়ার পাওয়ারের ‘শক্তি’ সংঘাত! এককালে শরদ পাওয়ারের ঘনিষ্ঠ হিসাবে নাম ছিল প্রফুল্ল প্যাটেলের। তিনিই অজিতকে দলের পরিষদীয় নেতা ঘোষণা করেন। প্রফুল্ল বলেন,’ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় সম্মেলনে আমাকে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নিযুক্ত করা হয়েছিল যার পরে আমি বেশ কয়েকটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট করেছি। পাতিলকে অস্থায়ী ভিত্তিতে অভ্যন্তরীণ নির্বাচন ছাড়াই রাজ্য প্রধান হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল।’
4/6 এদিকে, অজিত পাওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন যে,যাতে বিধায়কদের কোনও মতে সাংবিধানিক সমস্যা না হয়, তা তিনি দেখবেন। এদিকে শরদ পাওয়ারের গোষ্ঠীর এনসিপি ছাঁটাই করেছে তিন নেতাকে। নরেন্দ্র রানে, বিজয় দেশমুখ ও শিবরাজ রাও গারজে।5/6 দলের পরিস্থিতি সম্পর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অজিত পাওয়ার বলেন,’আমরা এনসিপির নেতৃত্ব দিচ্ছি এবং আমরা যা করছি তা দলের পক্ষে। কোন নোটিশ বা অন্য কিছু দেওয়ার ক্ষমতা তাঁদের নেই। আমরা নিশ্চিত করব যে বিধায়কদের কোনও সাংবিধানিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না।’ 6/6 এদিকে সুনীল তাতকারে মহারাষ্ট্র এনসিপির প্রধান হিসাবে আগামী ৫ জুলাই ডেকেছেন একটি বৈঠক। সেখানে দলের সমস্ত ছোট, বড় স্তরের নেতাদের ডাকা হয়েছে। এদিকে, এত্তসবের পর যখন অজিত পাওয়ারকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, তাহলে এনসিপির প্রধান এখন কে? জবাবে অজিত বলেন, ‘আপনারা কি ভুলে গিয়েছেন যে, এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি শরদ পাওয়ার?’ ন্য গ্যালারিগুলি