
কলকাতা: এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) ভোটে ব্যবহার না করার অভিযোগ তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। অভিযোগের তির প্রশাসনের দিকে। পাশাপাশি ভোট করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর। পুনর্নির্বাচনের দাবি দিলীপ ঘোষের।
কী বললেন দিলীপ ঘোষ?
এদিন তিনি বলেন, ‘কোথায় ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী? হাইওয়েতে গাড়ি করে ঘুরছিল, থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছিল। আদালত জোর করে পাঠিয়েছে, কিন্তু প্রশাসন ব্যবহার করেনি। প্রশাসন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করলে এত মানুষ খুন হত না। ভোট করতে দেওয়া হয়নি, পুনর্নির্বাচনের দাবি করব।’ মন্তব্য বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের।
গ্রাম বাংলার ভোটের জন্য় সুদূর লেহ্ থেকে, জরুরি ভিত্তিতে দেশের সুরক্ষায় থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে উড়িয়ে আনা হয়েছে। ভোটের আগে জায়গায় জায়গায় রুটমার্চ করতে দেখা গেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। কিন্তু ভোটের দিন যেখানে হানাহানি-মৃত্যু-গুলি-বোমা সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী কোথায়? গণতন্ত্রের উৎসব যেখানে কার্যত রক্তের উৎসবে পরিণত হয়েছ, দিকে দিকে মৃত্যু, খুন, বোমা-আগ্নেয়াস্ত্রের আস্ফালন, ভয়ঙ্কর তাণ্ডব, বীভৎস সন্ত্রাস, সেখানে সন্ত্রাসের স্থলে কোথায় কেন্দ্রীয় বাহিনী? তাদের কি সঠিকভাবে ব্য়বহার করল না রাজ্য় নির্বাচন কমিশন? পুলিশ কি সন্ত্রাসের জায়গা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দূরে রাখল? কেন্দ্রীয় বাহিনীর কার্যকারিতা কোথায় দেখা গেল? ভোটের পর কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এই সব প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়ে খোদ বিএসএফের আইজি, যিনি নোডাল অফিসার, তাঁকে অত্য়ন্ত কড়া ভাষায় চিঠি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আইনজীবী। শুভেন্দুর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নোডাল আদালতের নির্দেশ অবমাননা করেছেন। কিন্তু এত কিছুর পরও গতকাল কার্যত নিশ্চুপ থেকেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। রাজীব সিনহা্ (Rajiv Sinha) বলেছিলেন, “৬০ হাজার বুথে প্রথমে ভেবেছিলাম থাকবে। সেনসেটিভ বুথে দেওয়া হয়েছে। যেমন যেমন ফোর্স আসছে, তেমন তেমন ব্য়বস্থা নেওয়া হয়েছে। আমরা কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি, কোথায় কোথায় গন্ডগোল হয়েছে তার সমাধান সূত্র বের করার জন্য।’’
(Feed Source: abplive.com)
