আসছে মন্ত্রিত্ব নাকি শাস্তি? দলীয় পদ থেকে সরানো হল দিলীপ ঘোষকে, তুঙ্গে জল্পনা

আসছে মন্ত্রিত্ব নাকি শাস্তি? দলীয় পদ থেকে সরানো হল দিলীপ ঘোষকে, তুঙ্গে জল্পনা

কেন্দ্রীয় স্তরে বিজেপিতে বড় রদবদল। দলের সর্বভারতীয় সহসভাপতির তালিকা থেকে এবার বাদ পড়লেন মেদিনীপুরের সাংসদ তথা বাংলার প্রাক্তন দলীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এমনিতেই দিলীপ ঘোষের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়া নিয়ে জল্পনা চলছে বেশ কয়েকদিন ধরেই। এরই মাঝে দলের সর্বভারতীয় সহসভাপতি পদ থেকে তাঁকে সরানোয় সেই জল্পনার আগুনে আরও কিছুটা ঘি পড়ল। উল্লেখ্য, বিজেপি ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতিতে বিশ্বাসী। সাধারণত দলের উচ্চ পদে থাকা কোনও নেতাকে মন্ত্রী করা হয় না। আবার মন্ত্রী থাকলে দলী পদ চলে যায়। এই আবহে প্রশ্ন উঠছে, তবে কি দলীয় পদ গিয়েছে মন্ত্রিত্ব আসছে বলেই? অবশ্য রিপোর্ট অনুযায়ী, বঙ্গ বিজেপির একাংশের মত, বারবার সতর্ক করেও মুখে লাগাম আনা যায়নি দিলীপ ঘোষের। এর জন্যই পদ গিয়েছে। তবে তাই যদি হয়, তাতেও কি দিলীপকে চুপ করানো যাবে?

বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। এই আবহে দিলীপের পদ যাওয়া নিয়ে শনিবার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। উল্লেখ্য, সম্প্রতি এনডিএ সাংসদদের বৈঠকে ডাক পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার। মোট ১১টি দলে এনডিএ’‌র ৪৩০ জন সাংসদের সঙ্গেই বৈঠক করবে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। আগামী ৩১ জুলাই থেকে ১০ অগস্ট পর্যন্ত এই ধারাবাহিক বৈঠক চলবে। এই বৈঠকগুলিতে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, পরিবহনমন্ত্রী নীতির গড়কড়ি এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা। এই বৈঠকের প্রথমে বঙ্গ–বিজেপির সাংসদদের ডাকা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

এদিকে সম্প্রতি দিল্লিতে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে রাজ্য স্তরের বৈঠকে সুকান্তদের রীতিমতো ধমক দিতে শোনা গিয়েছিল দিলীপ ঘোষকে। এদিকে পঞ্চায়েত নিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন শুভেন্দু, সুকান্তরা। ওদিকে দিল্লিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করে এসেছিলেন সুকান্ত মজুমদার। এই আবহে দিলীপকে নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এই সবের মাঝে দিলীপ জানান, লোকসভা নির্বাচনের জন্য দলীয় সাংসদদের পদে রাখা হবে না। তারা যাতে নিজের এলাকায় প্রচারে মন দিতে পারেন, তার জন্যই এই পদক্ষেপ করার কথা ছিল।

এদিকে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া অনিল অ্যান্টনি, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য তারিক মনসুরকে দলের সহসভপতি কেরছে বিজেপি। এদিকে বাংলা থেকে জাতীয় স্তরে পদ ধরে রেখেছেন একমাত্র অনুপম হাজরা। এদিকে তেলাঙ্গানার প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বান্দি সঞ্জয়কে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এদিকে কর্ণাটকের সিটি রবি, অসমের দিলীপ সাইকিয়াও তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।

(Feed Source: hindustantimes.com)