
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মাঝে-মাঝে বিজ্ঞানীদের এক-একটা আবিষ্কার মানবসভ্যতাকে অনেকটা এগিয়ে দেয়। যেমন সম্প্রতি এক আবিষ্কারে তেমনই ঘটেছে। সাইবেরিয়ান পার্মাফ্রস্ট থেকে এক-দুই নয়, ৪৬ হাজার বছর আগের একটি কীটের সন্ধান মিলেছে। সেটি দিব্যি বেঁচে!
রাশিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান ‘ইনস্টিটিউট অফ ফিজিকোকেমিক্যাল অ্যান্ড বায়োলজিক্যাল প্রবলেমস ইন সয়েল’, যারা দুটি আণুবীক্ষণিক নিমাটোড আবিষ্কার করেছে। এটুকুই অবশ্য কোনও খবর নয়। আসল খবর হল, যে স্পিসিস থেকে এই কীট এসেছে, তা অজানা। এবং সেটি দিব্যি বেঁচে! কী ভাবে সম্ভব হল এটা? একি কোনও ম্যাজিক, না বিজ্ঞানের রহস্য?
যিনি এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত তাঁর নাম আনাস্তাসিয়া শাতিলোভিচ। আনাস্তাসিয়া শাতিলোভিচ বিষয়টি নিয়ে ব্যখ্যা করতে গিয়ে বলেন, রেডিয়োকার্বন ডেটিং প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এই আবিষ্কার সম্ভব হয়েছে। তিনি সময়টা একেবারে নির্দিষ্ট করে চিহ্নিত করেও দিয়েছেন– ৪৫ হাজার ৮৩৯ বছর থেকে ৪৭ হাজার ৭৬৯ বছরের পুরনো ওই কীট। এর বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘প্যানাগ্রোলেইমাস কোলিমেইনস’। কিন্তু সেটি এতদিন বেঁচে থাকল কী করে? এ তো প্রায় অসম্ভব একটা ব্যাপার!
এই অসম্ভব ব্যাপারটা সম্ভব করেছে একটি কৌশল। তার পোশাকি নাম ক্রিপ্টোবায়োসিস। ‘ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট অফ মলিকিউলার সেল বায়োলজি’র তরফে টেইমুরাস কুর্জাছিলা এই ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, এটা এমন এক পদ্ধতি যার বলে কোনও প্রাণী তার বেঁচে থাকাটায় সাময়িক হল্ট আনতে পারে, তারপর আবার প্রথম থেকে জীবন যাপন করতে শুরু করে। এটা চলতে থাকে। সেই হিসেবে এই আবিষ্কার খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।
(Feed Source: zeenews.com)
