প্রয়োজনে পড়ুয়াদের ক্যাম্পাসে রাতে থাকা নিয়ে নয়া নিয়ম ? খবরে CU

প্রয়োজনে পড়ুয়াদের ক্যাম্পাসে রাতে থাকা নিয়ে নয়া নিয়ম ? খবরে CU

স্কুল হোক বা কলেজ, কিম্বা বিশ্ববিদ্যালয়, রাতের যেকোনও ক্যাম্পাস আর দিনের ক্যাম্পাসের পরিবেশে কিছুটা হলেও পার্থক্য থাকে। দিনের মতো গমগমে ভাব বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাতের দিকে থাকে না। এদিকে, রাতে ক্যাম্পাসে পড়ুয়াদের উপস্থিতি নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে এল এক নোটিস।

এক প্রথম সারির বাংলা সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, নোটিসে কার্যত পড়ুয়াদের রাতের ক্যাম্পাসে খুব প্রয়োজন না থাকলে থাকতে বারণ করা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে। নোটিস অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষ বলছে, রাতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোনও প্রয়োজনে থাকতে হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের থেকে নিতে হবে অনুমতি। আর সেই অনুমতি আগাম নিতে হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং, এবং ভেটেনারি সয়ান্স ফ্যাকাল্টি’র তরফে জারি করা হয়েছে সার্কুলার। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, পড়াশুনো বা গবেষণার কাজে বহু পড়ুয়া রাতের ক্যাম্পাসে থেকে যান। এমনকি ছুটি থাকলেও তাঁরা ক্যাম্পাসে থাকেন রাতে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এরফলে বহু অযাচিত ঘটনা উঠে এসেছে সদ্য। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই সার্কুলারে বলা হয়েছে, বহু সময়ই গবেষক-পড়ুয়ারা তাঁদের বন্ধুবান্ধবকে নিয়ে ক্যাম্পাসে থেকে যেতে চান। কাজের সময়কাল শেষের পরও তাঁরা থেকে যাওয়ার অনুমতি চান। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্তা, রাতের ক্যাম্পাসে না থাকাই ভালো। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য শান্ত দত্ত জানিয়েছেন, কোনও আলোচনা ছাড়া এই সার্কুলার কার্যকর হবে না। তিনি এঅই সার্কুলারের বিষয়ে জানতেন না বলেও জানিয়েছেন।

নির্দেশ অনুযায়ী, বলা হচ্ছে, প্রয়োজনে যদি কোনও পড়ুয়াকে রাতের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে থাকতে হয়, তাহলে তাঁর গাইড ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের থেকে নিতে হবে অনুমতি। তবে এক্ষেত্রেও রয়েছে কিছু বিধি। রাতে ক্যাম্পাসে থাকলেও, ক্যাম্পাসের বাইরে কোনও মতে বের হওয়া যাবে না। এছাড়াও বলা হচ্ছে, একা ক্যাম্পাসে থাকা যাবে না। থাকতে হবে অন্তত ২ জনকে। এক রিপোর্টে বলা হচ্ছে, রাতের ক্যাম্পাসে থাকা নিয়ে পড়ুয়াদের মধ্যে অনেকে ভয় পেয়েছেন । তারপরই কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসে। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায় নিতে চাইছে না কর্তৃপক্ষ।

(Feed Source: hindustantimes.com)