
গত দু’দিন ধরে একটানা বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। এর আগে প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্রতায় ভুগছিলেন লখনউ-সহ গোটা উত্তরপ্রদেশের মানুষ। গত কয়েকদিন ধরে শুরু হয়েছে বৃষ্টি, সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া। দিনের বেলায় আকাশ মেঘলা থাকায় আবহাওয়া এখন অনেকটাই মনোরম। লখনউ আবহাওয়া কেন্দ্রের জারি করা বুলেটিন অনুসারে, শনি ও রবিবার লখনউ-সহ গোটা রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে চলবে মেঘের আনাগোনা। বিশেষ করে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এছাড়াও, পূর্ব উত্তরপ্রদেশেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
লখনউ আবহাওয়া কেন্দ্রের প্রবীণ বিজ্ঞানী মহম্মদ দানিশ জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হামিরপুরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এখানে ৪২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবার শাহজাহানপুর, মিরাট, বারাণসী বিএইচইউ এবং কানপুরে ০.২ মিমি থেকে ৭ মিমি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, রাজধানী লখনউয়ে গত কিছুদিনের হালকা বৃষ্টিতে গরম থেকে অনেকাংশেই স্বস্তি মিলেছে। শনিবার ও রবিবার জেলার আবহাওয়া ভাল থাকবে। এই কারণে তাপমাত্রার স্থিতিশীল থাকবে।
উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউতে আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। বারাবাঁকি, হারদোই, কানপুর, ইটাওয়া, লখিমপুর খেরি, গোরখপুর, বারাণসী, বালিয়া, বাহরাইচ, প্রয়াগরাজ, ফতেহপুর, বান্দা, সুলতানপুর, অযোধ্যা, ফুরসাতগঞ্জ, গোরখপুর, ফতেহগড়, বস্তি, ঝাঁসি এবং হামিরপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এইসব স্থানে তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বেরেলি, শাহজাহানপুর, মোরাদাবাদ, মুজাফফরনগর, মিরাট, আগ্রা, আলিগড় এবং বুলন্দশহরে এই দু’দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে। অন্যদিকে, গাজিয়াবাদ এবং নয়ডার মতো জেলাগুলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। মথুরা এবং চিত্রকূটে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।
