
কলকাতাঃ উত্তর পূর্বাঞ্চল ও অসমে রেলওয়ের সুবিধাগুলি আরও বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে ২০২৩-২৪ বাজেটে ১০,২৬৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০০৯-১৪ সময়সীমার ২,১২২ কোটি টাকার গড় বরাদ্দের তুলনায় ৩৮৪% অধিক। দেশের অন্যান্য অংশের নির্বাচিত রেলওয়ে স্টেশনগুলির পাশাপাশি অসমের ৩২টি রেলওয়ে স্টেশনও অমৃত ভারত স্টেশন স্কিমের অধীনে ৯৯০.২ কোটি টাকা ব্যয়ে উল্লেখযোগ্য নতুন রূপ লাভ করবে।
স্টেশনগুলির পুনর্বিকাশ অসমের রেল ব্যবহারকারীদের অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান করবে।এই স্টেশনগুলিতে যাত্রীদের সুবিধার্থে বিশাল রুফ প্লাজা, রিটায়ারিং রুম, ফুড কোর্ট এবং ওয়েটিং রুমের মতো সুবিধাগুলি থাকবে। দিব্যাঙ্গজনদের জন্য অনুকূল র্যাম্প এবং লিফ্ট ও এসকেলেটরের মতো অন্যান্য আধুনিক সুবিধাও থাকবে। অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী যান-বাহনের পৃথক এবং উন্নত পার্কিং সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে।
অসমের পরিবেশের কথা চিন্তা করে এই স্টেশনগুলি গ্রিন বিল্ডিং হিসেবে পুনর্বিকাশ করা হবে এবং সৌর শক্তি ও জল সংরক্ষণ পদ্ধতির ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে। এর পাশাপাশি পুনর্বিকশিত স্টেশনগুলি রাজ্যের মুখ্য শহরগুলির মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সৃষ্টি করবে। এটি অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে, যাতে রাজ্যে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।
অসমের ৩২ স্টেশন হল ধুবড়ি, ফকিরাগ্রাম জং., কোকরাঝাড়, গোসাইগাঁও হাট, গৌরীপুর, লামডিং জং., নিউ হাফলং, ডিফু, চাপরমুখ জং., জাগীরোড, সরুপাথার, নারেঙ্গি, হোজাই, লংকা, নিউ করিমগঞ্জ জং., অরুণাচল, রাঙাপাড়া নর্থ জং., নিউ বঙাইগাঁও জং., রঙিয়া জং., মরিয়নি, ডিব্রুগড়, যোরহাট টাউন, মাকুম জং., মার্ঘেরিটা, আমগুড়ি, নাহরকটিয়া, তিনসুকিয়া, দুলিয়াজান, সিমলুগুড়ি, নিউ তিনসুকিয়া, নামরূপ ও শিবসাগর টাউন।
৬ অগাস্ট ২০২৩ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশজুড়ে ৫০৮টি রেলওয়ে স্টেশনের পুনর্বিকাশের জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। অনুষ্ঠানে উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলি সম্পর্কে তিনি বলেন যে লাইনের দ্বৈতকরণ, গজ রূপান্তর, বৈদ্যুতিকীকরণ ও নতুন রুটের কাজ তীব্রগতিতে এগিয়ে চলেছে। শীঘ্রই উত্তর পূর্বাঞ্চলের সবগুলি রাজ্যের রাজধানীকে রেল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হবে। তিনি আরও বলেন যে উত্তর পূর্বাঞ্চলে নতুন লাইন চালু করার কাজ তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
(Feed Source: news18.com)
