
কলকাতা: সিলিং ফ্যান, এসি-র রমরমার যুগেও সিলিং ফ্যানের বিকল্প এখনও নেই। সিলিং ফ্যান এমনই একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যেটি প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই থাকে। তবে, এবার সিলিং ফ্যানের বিষয়ে বড় তথ্য সামনে এসেছে। বেশ কিছুদিন ধরেই দেশে নিম্নমানের পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথমে নিম্নমানের প্লাস্টিক পণ্য এবং তারপরে চার্জার ও ইউএসবি কেবলের মতো ইলেকট্রনিক আইটেম নিষিদ্ধ করার পরে, সরকার এখন নিম্নমানের ফ্যানের বাজারের দিকেও নজর দিয়েছে।
ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বৈদ্যুতিক সিলিং ফ্যানের জন্য বাধ্যতামূলক গুণমানের মানদন্ড জারি করা হয়েছে। মূলত, বৈদ্যুতিক পাখার অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়াতে এবং নিম্নমানের পাখার আমদানি রোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জারি করা হয়েছে নোটিফিকেশনও।
সরকারের নতুন নোটিফিকেশনে বলা হয়েছে, সিলিংয়ে বসানো বৈদ্যুতিক ফ্যানে ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (বিআইএস) চিহ্ন থাকা প্রয়োজন। বিআইএস চিহ্ন ছাড়া ফ্যান এখন আর বিক্রি করা যাবে না। শুধু তাই নয়, এই বিজ্ঞপ্তি জারির ৬ মাস পর থেকে এই নিয়ম কার্যকর হবে। অর্থাৎ আরও ৬ মাস বৈদ্যুতিক সিলিং ফ্যানের জন্য BIS চিহ্ন আবশ্যিক নয়।
ডিপার্টমেন্ট ফর প্রমোশন অফ ইন্ডাাস্ট্রি অ্যান্ড ইন্টার্নাল ট্রেডের একটি বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, বৈদ্যুতিক সিলিং টাইপ ফ্যান সংক্রান্ত এই নির্দেশ ৯ অগাস্ট জারি করা হয়েছে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এই অর্ডার জারি হওয়ার পর থেকে তা ৬ মাস পর থেকে কার্যকর হবে।
BIS আইনের কোনো বিধান প্রথমবার লঙ্ঘন করলে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২ লক্ষ টাকা জরিমানা হতে পারে। তবে, যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দ্বিতীয় বা তারও বেশি সময়ের জন্য বিধান লঙ্ঘনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হন, সেক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ ন্যূনতম ৫ লক্ষ টাকা এবং বিক্রয় করা নিম্নমানের বস্তুর মূল্যের ১০ গুণ পর্যন্ত প্রসারিত হতে পারে।
