
আগরতলা: আগরতলার লিচুবাগানে ওল্ড ন্যাশনাল ক্লাবের উদ্যোগে স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসব ‘মেরি মাটি মেরা দেশ’ এবং ক্লাবের ৫৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক স্বেচ্ছা রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। তিনি বলেন, “রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে খুবই আন্তরিক বর্তমান সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় সুবিধা সাধারণ মানুষকে দ্রুত পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১০০টি উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্র খোলার জন্য বাজেটে আর্থিক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে খুবই আন্তরিক রাজ্যের বর্তমান সরকার। চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও কীভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করে চলছে সরকার।”
তিনি বলেন, “ইতিমধ্যে রাজ্যের প্রায় ১৩ লক্ষ মানুষকে আয়ুষ্মান কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় এবারের বাজেটে মুখ্যমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় মানুষকে স্বাস্থ্য পরিষেবা দিতে ৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই যোজনার সুবিধা যাতে সাধারণ মানুষ দ্রুত পেতে পারে তার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
পাশাপাশি তিনি স্বেচ্ছা রক্তদানের প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। এক্ষেত্রে বিগত নির্বাচন চলাকালীন সময়ে হাসপাতাল গুলিতে রক্তের স্বল্পতা নিরসনে মুখ্যমন্ত্রীর আহ্বানে সারা দিয়ে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “বর্তমানে রাজ্যে ১৪টি ব্লাড ব্যাঙ্ক রয়েছে। এরমধ্যে ১২টি সরকারি এবং দুটি বেসরকারি। ৬টি ব্লাড সেপারেশন সেন্টারের মধ্যে ৪টি সরকারি এবং দুটি বেসরকারি সংস্থার।”
তিনি বলেন, “মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে ৯টি সুপার স্পেশালিটি ব্লক খোলা হয়েছে। এছাড়া রাজ্যে আরো ১০০টি উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্র খোলার জন্য এবারের বাজেটে আর্থিক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।” লিচুবাগানস্থিত ওল্ড ন্যাশনাল ক্লাবে রক্তদান শিবিরে মুখ্যমন্ত্রী একাধিক বিষয়ে সচেতন করেন নাগরিকদের। ত্রিপুরায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ আগেই গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি চিকিৎসা পরিকাঠামোকে ব্যবহার করার পাশাপাশি নজর দেওয়া হচ্ছে গ্রামীণ অঞ্চলেও।
