এই হ্রদে এক ডুবেই পাল্টে যেতে পারে অনেক কিছু! ভারতেই কোথায় রয়েছে এমন হ্রদ দেখুন

এই হ্রদে এক ডুবেই পাল্টে যেতে পারে অনেক কিছু! ভারতেই কোথায় রয়েছে এমন হ্রদ দেখুন

ভারতবর্ষের মানুষ চিরকালই অলৌকিকে বিশ্বাস করেছে। এমনকী প্রগতিশীল বিজ্ঞান চিন্তার যুগেও পুরনো বিশ্বাস হারায়নি। রোগ নিরাময়ের জন্য ওষুধের পাশাপাশি আজও অনেক মানুষ আস্থা রাখেন অলৌকিক বা অতিপ্রাকৃতের উপর।

এই সব বিশ্বাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বেশ কিছু গল্পগাথা। লোকমুখে সেই সব গল্প জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তারপর তা একদিন মহিমা বিজড়িত হয়ে পড়ে। এই সব প্রচলিত গল্পের মধ্যে সত্য সন্ধানের চেষ্টা প্রায় কেউই করেন না। সকলেই মনে করেন এর মধ্যে অর্ধসত্য রয়েছে, অনেকে মনে করেন অর্ধেক মিথ্যাও থাকতে পারে। কিন্তু তাতেও বিশ্বাস টলে না।

এমনই এক লোকবিশ্বাসের গাথা জড়িয়ে রয়েছে পরশুরাম ধামের সঙ্গে। বহু বছর ধরে মানুষের বিশ্বাস জড়িয়ে রয়েছে এই মন্দির ও সংলগ্ন বিশেষ পুকুরের সঙ্গে। উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়ায় শত শত বছর ধরে লোকবিশ্বাস গড়ে উঠেছে। মানুষের বদ্ধমূল ধারণা এই পুকুরে স্নান করলে দাদ-হাজা, খোসপাঁচড়া, চুলকানির মতো চর্মরোগ একেবারে সেরে যায়।

সোহনাগের পবিত্র হ্রদে রয়েছে পূজা-অর্চনার বিশেষ ব্যবস্থাও। পাশেই অবস্থিত পরশুরাম মন্দিরের পুরোহিত জানান, প্রতি শনি ও রবিবার দূর-দূরান্ত থেকে বহু মানুষ এখানে আসেন। সকলেই তাঁদের ত্বক সংক্রান্ত সমস্যার চিকিৎসা করাতে চান। বিশ্বাস করা হয় শনি ও রবিবার পুকুরের জল বিশেষভাবে পবিত্র হয়ে ওঠে। তাতে তৈরি হয় রোগ নিরাময়ের বিশেষ ক্ষমতা। এলাকার বাইরে থেকেও প্রচুর মানুষ এখানে আসেন বলে জানিয়েছেন পুরোহিত। তাঁর দাবি, হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েও যাঁরা ফল পাননি তাঁরাও এখানে এসে সুস্থ হয়ে গিয়েছেন।

সোহনাগের পবিত্র হ্রদের ইতিহাস:

লোকবিশ্বাস অনুযায়ী মনে করা হয় এই হ্রদে স্বয়ং ভগবান পরশুরাম স্নান করেছিলেন। তাঁর দেহের স্পর্শেই হ্রদটি পবিত্র হয়ে ওঠে। তাই এর জল রোগ নিরাময়ের জন্য উপযুক্ত।

যুক্তিবাদীরা অবশ্য এই ধারণাকে খণ্ডন করতে চান। অনেকে মনে করেন ওই হ্রদে কোনও বিশেষ খনিজ থেকে থাকতে পারে। আবার অনেকে মনে করেন শুধুমাত্র মানসিক প্রশান্তি থেকেই মানুষ মনে করে রোগ নিরাময় হয়েছে।

ঘটনা যা-ই হোক না কেন, মানুষের বিশ্বাস এত বছরেও টলানো যায়নি।

(Feed Source: news18.com)