
কলকাতা: যাদবপুরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার ছাত্র মৃত্যু কসবায়। তবে হস্টেল নয়, স্কুলের মৃত্যু হল ছাত্রের। দুটি কলকাতা পুলিশের এসএসডি ডিভিশনের অন্তর্গত। যাদবপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন তলার বারান্দা থেকে প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়া পড়ে গিয়ে মারা যান। আর এই দশম শ্রেণির পড়ুয়া স্কুলের পাঁচ তলা ছাদ থেকে পড়ে মারা যায়। আর এই মৃত্যুতেও পরিবারের পক্ষ থেকে আনা হয়েছে খুনের অভিযোগ। শিক্ষক ও অশিক্ষক- কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হল।
ঘটনার ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় কেটে গেলেও কেন অভিযুক্তরা গ্রেফতার হল না, এই প্রশ্ন তুলে কসবা থানার সামনে ম্যাটাডোরে বরফের উপর দেহ শায়িত রেখে চলল প্রায় দু’ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বিক্ষোভ ও রাস্তা অবরোধ চলে। এই ঘটনার জেরে বুধবার শিক্ষক ও অশিক্ষক- কর্মী মিলিয়ে মোট ৯ কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
শুধু তাই নয় আর একজন স্কুল পড়ুয়ার সঙ্গেও কথা বলেছে পুলিশ। কাল আরও বেশ কয়েকজন পড়ুয়ার সঙ্গে কথা বলার সম্ভবানা রয়েছে। পড়ুয়ার বাড়ি গিয়েও কথা বলেছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, সোমবার স্কুলে প্রজেক্ট জমা দেওয়ার নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়। পরিবার প্রাথমিক ভাবে আঙুল তোলে স্কুলের দিকে। পরিবারের দাবি গোটা ক্লাসের সামনে শিক্ষিকারা তাকে বকাবকি করে। আর তাতেই অপমানিত বোধ করে পড়ুয়া, আর তারপরই দুপুর ২টোয় ঘটে এই ভয়ঙ্কর কাণ্ড। পাশাপাশি পড়ুয়ার বাবা জানান ছেলের শরীরের কোনও হাড় ভেঙে যায়নি কেবল কান আর মুখ দিয়ে রক্ত বেরিয়েছে। ফলে সবটা নিয়ে দানা বাঁধে রহস্য।
অন্যদিকে, পুলিশ সূত্রে খবর, কসবার ওই নাবালক ঘটনার আগে দিন দু’য়েকের আগে পার্টি করতে গিয়েছিল।সেখানে কোনও বান্ধবী বা বন্ধুর সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল কিনা সেটা খতিয়ে দেখবে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, বাড়িতে পারিবারিক সমস্যা চলছে বলেও জানা গিয়েছে।
