
আজ কিছু আগে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে দাঁড়িয়ে সাংবাদিক তিনি বলেন, “৫ বছর পরে আমরা যাচ্ছি। স্পেন আমাদের বইমেলায় এসেছিল। আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় তারা পার্টনার ছিল । ওখানে ম্যানুফ্যাকচারিং এবং অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রি ভাল আছে। তাদের আমন্ত্রণেই আমরা যাচ্ছি। সুতরাং দেখা যাক কী কী হতে পারে। কারণ, আমাদের এখানে ২১, ২২ ও ২৩ বিজনেস সম্মেলন আছে। ওরা বারবার আসে। কিন্তু, আমরা কেউ যাই না। সেইজন্যই এই ছোট্ট দেশটাকে বেছেছি। আর দুবাইতেও আছে একটা বিজনেস সম্মেলন। আর একটা প্রবাসীদের মিটিং। সময়ে সময়ে তা জানিয়ে দেব। সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, সুন্দর থাকবেন।”
অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রীর সময়সূচি অনেকটা এরকম। আজ তিনি কলকাতা বিমানবন্দর থেকে দুবাই যাবেন। সেখানে তিনি একটি সম্মেলন যোগ দেবেন। তারপর আগামীকাল সকালে তিনি মাদ্রিদের উদ্দেশে রওনা দেবেন। মাদ্রিদে প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে। তার পাশাপাশি তিনি ট্রেনে করে বার্সেলোনায় পৌঁছবেন। বার্সেলোনা বিজনেস সামিটে যোগ দেবেন। এই পরিস্থিতিতে আগামীদিনে বাংলায় বিদেশি লগ্নি আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে বিদেশ সফরে যাওয়ার আগে, মন্ত্রিসভায় রদবদল করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাতে গুরুত্ব কমেছে বাবুল সুপ্রিয়র। সমবায় দফতর হাতছাড়া হয় অরূপ রায়ের। বাড়তি দায়িত্ব পেলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার ও বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। পর্যটন দফতর থেকে সরিয়ে অচিরাচরিত শক্তি দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হল বাবুল সুপ্রিয়কে। যা তুলনায় কম গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে থাকল তথ্যপ্রযুক্তি দফতর। আর বাবুলের থেকে পর্যটন দফতরের দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হল ইন্দ্রনীল সেন-কে।
মোদি-মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিত্ব হারানোর পর, বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। ছেড়েছিলেন সাংসদ পদও। তারপর বালিগঞ্জে বিধানসভা উপনির্বাচনে, তৃণমূলের টিকিটে জিতে, মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের মন্ত্রিসভায় জায়গা পান বাবুল। তবে সম্প্রতি তাঁর দফতরের কাজ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।
(Feed Source: abplive.com)
