
কলকাতা: ১৯৮০-এর দশক। ভারত-জাপান অংশীদারিত্বে টু-হুইলার ইন্ডাস্ট্রিজে বিপ্লব ঘটে। বাজারে পা রেখেছিল ইয়ামাহা। ১০০ সিসির বাইক। শুধুমাত্র ইঞ্জিনের কারণেই ক্রেতার মন জয় করে নিয়েছিল সে।
আজ আর সে দিন নেই। ইয়ামাহার বাজার ক্রমশ কমছে। এখন তার অবস্থা পুরনো জমিদার বাড়ির মতোই। তবে ইয়ামাহার আভিজাত্য আজও বজায় রয়েছে ষোলো আনা।
ভারতের বাজারে এবার Aerox 155-এর নতুন মনস্টার এনার্জি মটোজিপি এডিশন লঞ্চ করল ইয়ামাহা। এর দাম ১,৪৮,৩০০ টাকা (এক্স শোরুম)। মটোজিপি এডিশনের ম্যাক্সি স্কুটার এবার ভারতের বাজারে R15M, MT-15 এবং Ray ZR 125 এডিশনের সঙ্গেই মিলবে।
Aerox-এর এই এডিশনে বিশাল কোনও বদল হয়নি। তবে কসমেটিক এবং ফিচারে কিছু আপগ্রেডেশন করা হয়েছে। অন্যান্য মটোজিপি এডিশনের মডেলের মতো Aerox 155-তেও বিশেষ মনস্টার এনার্জি লিভারি দেওয়া হয়েছে। এটা যে ইয়ামাহার মটোজিপি রেস বাইক থেকে অনুপ্রাণিত, বলার অপেক্ষা রাখে না।
মনস্টার এনার্জি ইয়ামাহা মটোজিপি এডিশনে বাদবাকি প্রায় সব কিছুই এক। Aerox 155 আপাতত চারটি রঙে পাওয়া যাচ্ছে – ব্ল্যাক, রেসিং ব্লু, গ্রে ভারমিলিয়ন এবং সিলভার।
নতুন লিভারি ছাড়াও বলার মতো বিষয় হল, এই মডেলে ক্লাস ডি হেডলাইট লাগানো হয়েছে। এই আলোর তেজ অনেক বেশি। হেডলাইট জ্বাললে রাস্তাঘাট দিনের আলোর মতো দেখায়।
ইঞ্জিন এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট: অ্যারোক্স পাওয়ারিংয়ে রয়েছে ১৫৫ cc, ৪ ভালভ, লিকুইড কুলড, ব্লু কোর ইঞ্জিন যা ভেরিয়েবল ভালভ অ্যাকচুয়েশন (VVA) দিয়ে সজ্জিত।
৮ হাজার rpm-এ ১৩.৯ Nm পিক টর্কের সঙ্গে ৬ হাজার ৫০০ rpm-এ ১৪.৭ bhp শক্তি উৎপন্ন করে। স্কুটারটিতে OBD2 এবং E20 ফুয়েল কমপ্লায়েন্টও থাকছে। এছাড়াও স্ট্যান্ডার্ড ফিচার হিসেবে হ্যাজার্ড সিস্টেমও রয়েছে।
অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে অল-এলইডি আলোকসজ্জা, একটি ব্লুটুথ-সক্ষম ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার, মাল্টি-ফাংশন কী, স্বয়ংক্রিয় স্টার্ট এবং স্টপ সিস্টেম, সাইড-স্ট্যান্ড ইঞ্জিন কাট-অফ ফাংশন এবং একক-চ্যানেল ABS।
ম্যাক্সি স্কুটারের হার্ডওয়্যারে সাসপেনশনের কাজগুলি পরিচালনা করার জন্য টেলিস্কোপিক ফ্রন্ট ফর্ক এবং টুইন সাইড রিয়ার স্প্রিংস রয়েছে। ব্রেকিং সেটআপে সামনের দিকে একটি ২৩০mm সিঙ্গল ডিস্ক এবং পিছনে একটি ১৩০ mm ড্রাম দেওয়া হয়েছে।
