দেশের যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ‘ফওদা’ অভিনেত্রী রোনা-লি শিমন

দেশের যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ‘ফওদা’ অভিনেত্রী রোনা-লি শিমন

নয়াদিল্লি: চলছে যুদ্ধ। ইজরায়েল-হামাস সংঘর্ষ (Israel Hamas War) পা দিল দশম দিনে। লেবাননে হেজবোল্লার সামরিক ঘাঁটিতে এবার প্রত্যাঘাত ইজরায়েলের। নিজের দেশের বর্তমান অবস্থা প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ‘ফওদা’ (Fauda) খ্যাত ইজরায়েলি অভিনেত্রী রোনা-লি শিমন (Rona-Lee Shimon) ভেঙে পড়লেন কান্নায়। এএনআইকে (ANI) দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান ইজরায়েলকে জয়ী করতে তাঁর ক্ষমতায় যা সম্ভব তাই করবেন তিনি।

‘সন্ত্রাস হামলা’ থেকে নিজের দেশকে বাঁচাতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ইজরায়েলি অভিনেত্রী

হামাসের বিরোধিতা করতে বদ্ধপরিকর অভিনেত্রী রোনা-লি শিমন। হামাসের আক্রমণে যে বেকসুর প্রাণ একের পর এক বলি হচ্ছে তাতে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন ও আহত অভিনেত্রী। যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয় যে তিনি হামাসের বিরুদ্ধে লড়তে রাজি কি না, অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার ক্ষমতার মধ্যে যা আছে সবটা দিয়ে ইজরায়েলকে জিততে সাহায্য করব।’

অভিনেত্রী ইজরায়েলের সঙ্গে ভারতের সংহতির প্রশংসা করেন এবং ৭ অক্টোবর অবরুদ্ধ গাজা স্ট্রিপ থেকে ইজরায়েলি শহরে হামাস সন্ত্রাসীদের দ্বারা হামলার নিন্দা করেন। এই ঘটনায় শত শত ইজরায়েলি সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং একাধিক মানুষকে বন্দি করা হয়েছে। ইজরায়েলও দ্রুত গাজায় পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে যাতে শত শত প্যালেস্তাইনবাসী নিহত হচ্ছেন। এদিন অভিনেত্রী সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি ভারতের মতো সুন্দর মিত্র দেশ পেয়ে কৃতজ্ঞ। পৃথিবীতে আমার অন্যতম পছন্দের দেশ ভারত। আমি এই দেশের বাসিন্দাদের ভালবাসি। আমি পরিষ্কার বুঝতে পারছি যে কেন প্রথমেই ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে ঘটে যাওয়া ভয়ঙ্কর ঘটনার নিন্দা করেছেন আপনারা। আমি এর থেকে কম কিছু আশা করি না কিন্তু হৃদয়ের অন্তর থেকে এটা বলছি। আমি মনে করি, আমাদের জন্য এটাই শ্রেষ্ঠ কাজ আপনারা করতে পারেন যে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসের নিন্দা করে আমাদের পাশে দাঁড়াতে পারেন।’

৭ অক্টোবর হামাস দ্বারা হওয়া সন্ত্রাসের কথা মনে করে নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। এর ফলে আরও অজস্র প্রাণহানি হবে কিন্তু আমরা টিকে থাকব। আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং আমাদের প্রথম লক্ষ্য হবে বন্দিদের বাড়ি ফিরিয়ে আনা।’ শনিবার ইজরায়েলি সেনাবাহিনি নিশ্চিত করে যে হামাসের কবলে ১২৬ জন সাধারণ নাগরিক রয়েছেন।

ইজরায়েল-হামাস সংঘর্ষের দশম দিনে নাবলাস, হেব্রন, বেথলেহেমে ইজরায়েলি সেনার হাতে পাকড়াও হয়েছে বহু। হামাসের বিরুদ্ধে প্রথমবার আয়রন বিম লেজার ব্যবহার করল ইজরায়েল। হামাসের বিরুদ্ধে লড়ার সময় ভারতীয় বংশোদ্ভূত তিন তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত তরুণীদের মধ্যে ২ জন ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেসের অন্তর্গত ছিলেন। এক তরুণীর নাম ও মোজেস, যাঁর মৃত্যু হয়েছে জিকিমের কাছে হামাসের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে। দ্বিতীয় জনের নাম কিম ডোকরকর, গাজার কাছে সংঘর্ষ চলাকালীন ওই তরুণীর মৃত্যু হয়।

(Feed Source: abplive.com)