‘কফি হাউস’ থেকে ‘সে আমার ছোট বোন’ এখনও বাঙালির হৃদয়তন্ত্রীতে বেজে চলেছে মান্না দে’র গান

‘কফি হাউস’ থেকে ‘সে আমার ছোট বোন’ এখনও  বাঙালির হৃদয়তন্ত্রীতে বেজে চলেছে মান্না দে’র গান

কলকাতা: মান্না দে (Manna Dey)। যাঁর গান অসংখ্য গান এখনও  প্রেম-বিরহের আবেগে থরথর বাঙালির হৃদয়তন্ত্রীতে বেজে চলেছে। আজ সেই প্রবাদপ্রতিম সঙ্গীতশিল্পীর মৃত্য়ুদিন (Manna Dey Death Anniversary)।

‘কফি হাউস’ তো আছেই; এ ছাড়া ‘সে আমার ছোট বোন’,‘যদি হিমালয় আল্পসের’,‘যদি কাগজে…হৃদয়ে লিখো নাম, সে নাম রয়ে যাবে’, ‘প্য়ায়ার হুয়া একরার হুয়া’, ‘ইয়ে দোস্তি’, ‘ইয়ে রাত ভিগি ভিগি’, ‘এ ভাই জারা দেখকে চালো’র মত একাধিক হিট গান তিনি উপহার দিয়েছেন দর্শককে। হিন্দি (Hindi), বাংলা(Bangla), মারাঠি (marathi), গুজরাতি(Gujrati) মিলিয়ে মোট ২৪টি ভাষায় গান গেয়েছিলেন মান্না দে। লতা মঙ্গেশকরের (Lata Mangheshkar) সঙ্গে ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’ গানটিও আজও মানুষের মনে উজ্জ্বল।

১৯১৯ সালের ১মে মান্নার দের জন্ম হয়েছিল কলকাতায় (Kolkata)। সঙ্গীতে আসবেন নাকি আইনজীবী হিসেবে কেরিয়ার শুরু করবেন তা নিয়ে বেশ দ্বিধা ছিল তাঁর মনে। তবে জানা যায়, কাকা কৃষ্ণ চন্দ্র চাইতেন ভাইপো গান করুক। তারপর নিজের কাকার ইচ্ছেতে গানের জগতে আসেন তিনি। ‘তামান্না’ (১৯৪৩) চলচ্চিত্রে গায়ক হিসেবে মান্না দে‘র অভিষেক ঘটে।

সংগীতে অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭১ সালে ভারত সরকারের পদ্মশ্রী, ২০০৫ সালে পদ্মভূষণ, ২০০৭ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পান। এ ছাড়া ভারতে চারটি জাতীয় পুরস্কার, রবীন্দ্রভারতী ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানজনক ডি–লিট, আলাউদ্দিন খাঁ পুরস্কারসহ বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন।  ১৯৫২ সালে মান্না দে বাংলা এবং মারাঠী ছবিতে একই নামে এবং গল্পে ‘আমার ভূপালী’ গান গান।

শেষজীবনে তাঁকে শারীরিক কষ্ট ভোগ করতে হয়েছিল বলে জানা যায়।২০১৩ সালের ৮ই জুন ফুসফুসের জটিলতার জন্য মান্না দে ব্যাঙ্গালোরে একটি হাসপাতালের আইসিইউ তে ভর্তি হন। তারপরের দিন ৯ই জুন,তাঁর মৃত্যুর গুজব রটে ৷ ডাক্তাররা এই গুজবের অবসান ঘটান এবং নিশ্চিত করেন যে তিনি তখনও বেঁচে আছেন তবে তাঁর অবস্থার বেশ অবনতি হয়েছে ও আরও কিছু নতুন জটিলতা দেখা দিয়েছে। পরে ডাক্তাররা তাঁর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানান।

মান্না দে ২৪শে অক্টোবর ২০১৩ সালে ব্যাঙ্গালোরে মৃত্যুবরণ করেন৷

(Feed Source: abplive.com)