‘ছুটি দেন,বেতনও দেন না, ডিএ-ওদেন না’ মুখ্যমন্ত্রীর ছটে-ছুটি নিয়ে কেন্দ্রকে খোঁচার জবাব দিলীপের

‘ছুটি দেন,বেতনও দেন না, ডিএ-ওদেন না’ মুখ্যমন্ত্রীর ছটে-ছুটি নিয়ে কেন্দ্রকে খোঁচার জবাব দিলীপের
বিশ্বজিৎ দাশ, খড়গপুর : উৎসবের আমেজেও ছুঁয়ে গেল রাজনীতি ( Politics ) ! ছটের ছুটি নিয়ে মোদি  ( Modi Govt ) সরকারকে খোঁচা দিতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী ( Mamata Banerjee )। বললেন, দিল্লি ছুটি দেয় না। আমাদের সরকার ইদ, ছটে ২দিন ছুটি দেয়। এই মন্তব্যকে কটাক্ষ করেন বিজেপির  সুকান্ত মজুমদার ( Sukanta Majumdar )। বললেন, মমতা ডিভাইড অ্যান্ড রুলে বিশ্বাসী ! আর এবার ছটে ছুটি বিষয়ে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ ।

ছটে ছুটি প্রসঙ্গে দিলীপ

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর শহরের মন্দির তলা পুকুরে আজ সকালে ছট পুজো পরিদর্শন করতে গিয়ে ভক্তদের সঙ্গে ঢাকঢোল পিটিয়ে ছট পুজোয় মাতেন দিলীপ।  সাংসদ দিলীপ ঘোষকে মুখ্যমন্ত্রীর ছট-মন্তব্যের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘ মুখ্যমন্ত্রী ইদে তিন দিন ছুটি দেন। মুখ্যমন্ত্রী ছুটি দেন। বেতনও দেন না, ডিএ দেন না। আর কেন্দ্র সরকার কাজ করে, ছুটি দেয় না… এখানে ছুটি আছে বলে না বেতন, না  ডিএ, রসাতলে যাচ্ছে। ‘

ছটে ছুটি প্রসঙ্গে সুকান্ত

সামনে ২০২৪-এর লোকসভা ভোট, তার আগে মুখ্যমন্ত্রী ছটের ছুটি নিয়ে দিল্লিকে কটাক্ষ করায়, তার পাল্টা কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মুখ্য়মন্ত্রীর মন্তব্যের জবাব দিয়ে বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে তো খেলা-মেলা ছাড়া কিছু নেই। মমতা ডিভাইড অ্যান্ড রুলে বিশ্বাসী’

 সুভাষ সরকারকে ঘিরে বিক্ষোভ-অসন্তোষ, কী বললেন দিলীপ ?

ছটের দিনই বাঁকুড়ায় নিজের এলাকায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। বাঁকুড়ার ছাতনায় ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা দেওয়ার দাবিতে সুভাষ সরকারকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায় গ্রামবাসীরা। নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূল, দাবি করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেপ্টেম্বরের ১২ তারিখ, সুভাষ সরকারকেই ঘরে তালাবন্দি করে, তুমুল বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বিজেপি কর্মীদেরই একাংশ। ২ মাসের মাথায় ফের একবার, নিজের জেলায়, নিজের লোকসভা কেন্দ্রে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বিজেপি সাংসদ। কিন্তু, লোকসভা ভোটের মুখে এই বিক্ষোভ-অসন্তোষে, স্বভাবতই অস্বস্তির মুখে গেরুয়া শিবির।
এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলনে, ‘ তৃণমূল আর কিছু করতে পারছে না বিক্ষোভ দেখিয়ে রাস্তায় হেঁটে লোককে খুশি করার চেষ্টা করছে। কেন্দ্রীয় সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা পাঠাচ্ছে তার কোনও হিসেব নেই …বাংলার মানুষ বুঝে গেছে এই সরকার যতদিন থাকবে, ততদিন মানুষ কিছু পাবে না। রেশন পর্যন্ত খেয়ে নিয়েছে। আজ খাদ্যমন্ত্রী জেলে। শিক্ষামন্ত্রী জেলে গেছে। তারপরও কি লোককে বোঝাতে হবে কারা চোর।’

(Feed Source: abplive.com)