
গত বছর অক্টোবর মাসে মুক্তি পেয়েছে টুয়েলভথ ফেল। বিক্রান্ত মাসে অভিনীত এই ছবিটি যেমন বক্স অফিসে হিট করেছে তেমনি ওটিটি মুক্তি পাওয়ার পর চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। এটি একজন আইপিএস অফিসারের জীবনীর উপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে। বিধু বিনোদ চোপড়ার এই ছবিটি আসলে যাঁর জীবনীর উপর বানানো তিনি একটিও নয়া পয়সা নেননি।
টুয়েলভথ ফেল ছবিটির জন্য কোনও টাকা নেননি মনোজ কুমার শর্মা
বিধু বিনোদ চোপড়া পরিচালিত টুয়েলভথ ফেল ছবিতে উঠে এসেছিল আইপিএস মনোজ কুমার শর্মার জীবনী। তিনি কী করে এই চাকরি পান, তাঁর জীবন কোন খাতে বয়ে এখানে এসে পৌঁছেছে সেটাই এই ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে। টুয়েলভথ ফেল ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বিক্রান্ত মাসে এবং মেধা শঙ্কর।
সম্প্রতি এবিপির আইডিয়া অব ইন্ডিয়া সামিটে মনোজ কুমার শর্মা টুয়েলভথ ফেল ছবি প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জানান তিনি একটি পয়সাও নেননি এই ছবির জন্য। কিন্তু কেন? সেই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ‘যদি আপনি আমায় ব্যক্তিগত ভাবে জিজ্ঞেস করেন এই ছবির জন্য আমি কিছু পাইনি। আমি কখনও কারও থেকে কোনও আর্থিক সাহায্য নিইনি। বা কারও থেকে আর্থিক সাহায্যের প্রত্যাশা করি না। আমি ভীষণই সৎ, ঠিক যেমনটা আমার চাকরি পাওয়ার সময় ছিলাম। আমার স্ত্রীও ঠিক তাই।’
একই সঙ্গে এদিন তিনি জানান, ‘আমি আর আমার স্ত্রী যখন সরকারি চাকরির জন্য তৈরি হচ্ছিলাম তখনই ও ঠিক করে যে ও কখনই হিরে বা অন্যান্য গয়না পরবে না। তাই আজও অমর সেই খরচটা নেই। আমরা একে অন্যকে কখনও উপহারও দিই না। বরং আমরা একে অন্যকে চিঠি দিই।’
তাহলে টুয়েলভথ ফেল ছবি থেকে কী লাভ হল মনোজ কুমার শর্মার?
এই ছবির মাধ্যমে তিনি তাঁর জীবনের গল্প সকলকে জানাতে চেয়েছিলেন। সেটা হয়েছে। এখন তিনি ছাত্র সহ আরও অনেকের থেকে বহু চিঠি পান। তাঁর কাছে সেটাই অনেক বলেই জানিয়েছেন মনোজ কুমার শর্মা।
টুয়েলভথ ফেল প্রসঙ্গে
টুয়েলভথ ফেল ছবিটিতে উচ্চাকাঙ্ক্ষা, আশা, প্রত্যাশা, মন দিয়ে পড়াশোনা করা, চেষ্টা, এবং হাজারো প্রতিকূলতার পর লক্ষ্যপূরণের গল্প উঠে এসেছে। এই ছবিটি তৈরি করা হয়েছে অনুরাগ পাঠকের গল্পের বইয়ের ভিত্তি। তাঁর লেখা এই বইটি অন্যতম সেরা বিক্রিত বই যেখানে আইপিএস অফিসার মনোজ কুমার শর্মা এবং আইআরএস অফিসার শ্রদ্ধা যোশীর গল্প বলা হয়েছে। বিক্রান্ত মাসে ছাড়াও এই ছবিতে আছেন মেধা শঙ্কর। বিক্রান্তের বিপরীতেই তাঁকে দেখা গিয়েছে এখানে।
(Feed Source: hindustantimes.com)
