সমুদ্র সৈকতে ছুটি কাটাচ্ছেন ‘বার্থডে বালিকা’, বালি থেকে ছবি পোস্ট শ্রেয়া ঘোষালের

সমুদ্র সৈকতে ছুটি কাটাচ্ছেন ‘বার্থডে বালিকা’, বালি থেকে ছবি পোস্ট শ্রেয়া ঘোষালের

নয়াদিল্লি: বালিতে (Bali) ছুটি কাটাচ্ছেন ‘বার্থডে গার্ল’ (birthday girl) থুড়ি ‘বার্থডে বালিকা’। তিনি আর কেউ নন, ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী, বঙ্গ তনয়া শ্রেয়া ঘোষাল। জন্মদিনের একদিন আগে, নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি শেয়ার করেন গায়িকা। ১২ মার্চ, ৪০ পূর্ণ করলেন শ্রেয়া ঘোষাল (Shreya Ghoshal Birthday)।

বালিতে জন্মদিন কাটাচ্ছেন শ্রেয়া ঘোষাল

তাঁর কণ্ঠে মজেন আট থেকে আশি। গান গেয়েছেন অজস্র ভাষায়। একাধিক সেরার শিরোপা উঠেছে তাঁর মাথায়। তিনি শ্রেয়া ঘোষাল। আজ, ১২ মার্চ তিনি পূর্ণ করলেন ৪০ বছর। জন্মদিনে এখন তিনি সমুদ্র সৈকতে। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে ছুটি কাটাচ্ছেন। গতকাল তিনি ‘সিক্ত’ একটি ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘বার্থডে বালিকা ইন বালি’। গাঢ় সবুজ টপে, খুব সামান্য মেকআপে, ভেজা চুল খুলে ছবি তোলেন তিনি। বোঝাই যাচ্ছে চুটিয়ে উপভোগ করছেন এই ভেকেশন।

‘বৈরি পিয়া’, ‘সিলসিলা ইয়ে চাহত কা’, ‘ডোলা রে ডোলা’, ‘মিলন অভি আধা অধুরা হ্যায়’ থেকে বাংলার ‘ভালবাসার মরশুম’ বা অন্য যে কোনও ভারতীয় ভাষায় গান, প্রায় প্রত্যেক ছবিতেই শ্রেয়া ঘোষালের কণ্ঠে একটি করে গান থাকেই। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ‘ইমি ইমি’।

এই মুহূর্তে শ্রেয়া ঘোষালের ইনস্টাগ্রামে এই মুহূর্তের ফলোয়ারের সংখ্যা ২৯.৪ মিলিয়ন। তাঁর বিশাল সংখ্যক অনুরাগীরা ভরিয়েছেন কমেন্ট সেকশন। কেউ লিখলেন, ‘অবশেষে রিল্যাক্স করে খটমট শিডিউল থেকে বিরতি নিচ্ছেন।’ অপর এক অনুরাগী লিখলেন, ‘জন্মদিনের আগাম শুভেচ্ছা রানি’। আরও একজন লেখেন, ‘প্রিয় বালিকা’। তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অপর গায়িকা শিল্পা রাও, অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তও।

পঞ্চমবার সেরা গায়িকা হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল

শ্রেয়া ঘোষালের অনুরাগীদের জন্য এই খবর নিঃসন্দেহে আনন্দের ও একইসঙ্গে গর্বের। ‘পিউ বলে’ গায়িকা এই বছর পেয়েছেন তাঁর পঞ্চম জাতীয় পুরস্কার (National Award)। ‘৬৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’-এর জুরি সদস্যরা ঘোষণা করেন তামিল ছবি ‘ইরাভিন নিজহাল’-এর ‘মায়াভা চায়াভা’ গানের জন্য সেরা গায়িকা হিসেবে নির্বাচিত শ্রেয়া ঘোষাল। নয়া দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষিত হয় বিজয়ীদের নাম।

শ্রেয়া ঘোষাল প্রথম জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন ২০০৩ সালে ‘দেবদাস’ ছবির ‘বৈরি পিয়া’ গানের জন্য। এরপর তিনি ‘পহেলি’ ছবির ‘ধীরে জ্বলনা’ গানের জন্য ও ‘জব উই মেট’ ছবির ‘ইয়ে ইশক হায়ে’ গানের জন্য জাতীয় পুরস্কার পান। এরপর ২০১০ সালেও তিনি জাতীয় পুরস্কার পান, তবে একটি নয় দুটি গানের জন্য। মরাঠি ছবি ‘জোগভা’র গান ‘জিভ ডাংলা’র জন্য ও বাংলা ছবি ‘অন্তহীন’-এর ‘ফেরারি মন’ গানের জন্য জাতীয় পুরস্কার পান তিনি।

(Feed Source: abplive.com)