
শিবোহম! রণবীর কাপুর, আমির খান ও জ্যাকলিন ফার্নান্দেসের ফিটনেস কোচ
সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন যে আমি সদ্যই নিরামিষাশী হয়েছি। নিরামিষ খাওয়া শরীরে পক্ষে খুব ভালো। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে এগুলো সাহায্য করে। সেই সঙ্গে প্রোটিনও পাওয়া যায় অনেকটা। আমি দুপুরবেলা পনির, দই ঘোল খাই। আমার দুপুরের খাবারে ১৫০ গ্রাম পনির, ১৫০ গ্রাম দই, দুটি বাজরার রুটি, ও বাড়িতে তৈরির করা এক বাটি সবজি খাই।
আমি জীবনকে খুব সুন্দর ও সহজ রাখতে চাই। তাই আমি সব ধরনের খাবার এড়িয়ে যাই। তবে আমি খাবারের গুণমান ও স্বাদের সঙ্গে আপোস করি না। আমি বাড়িতে তৈরি করা রান্না বেশি পছন্দ করে থাকি। আমার মা সব থেকে ভালো খাবার তৈরি করেন। সপ্তাহে শেষে একটি ট্রিট লাগেই আমার। দু’ জায়গার খাবার আমি সব থেকে বেশি পছন্দ করে থাকি। সেগুলি হল স্মোক হাউস ডেলির পাস্তা এবং হুন্ডোসের পিৎজা।

সোহরাব! খুশরুশাহী, আলিয়া ভাট ও মীরা কাপুরের ফিটনেস কোচ
ইনি SOHFIT-এর প্রতিষ্ঠাতা। লাঞ্চ হোক বা কিংবা ডিনার আমি খাবারের প্লেটে প্রোটিন কার্বহাইড্রেড ফ্যাটের ভারসাম্য বজায় রাখি। আমি আমার প্লেটে তিনটি ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্টস চাই। আগে আমি নিরামিষাশী ছিলাম ঠিকই এখন আমি আমিষ খাবারো খেয়ে থাকি। আমি কিন্তু আমি মনে করি নিরামিষাশী হলেও পর্যাপ্ত প্রোটিন কিন্তু পাওয়া যায়। আমার দুপুরে রাতের খাবারে ১৫০ গ্রাম মাংস খাই। ফাইবার ও পুষ্টির জন্য সবজি খাই। আমি কিন্তু রুটি খেতে বেশ পছন্দ করি। তাই ভালো কার্বোহাইড্রেট পেতে বাজরার রুটি বা মিষ্টি আলু খেয়ে থাকি। যদি আমি খাবারের পাতে কোনদিন প্রোটিন না পাই, তাহলে শেষে আমি দই খাবই। যারা খাবার তৈরির দায়িত্বে থাকে তাদের আমি আমার খাবারের ব্যালেন্স মেনটেন করে চলতে বলি। খাবারের পাতে অবশ্যই কার্বোহাইড্রেট রাখুন।

রাজীব মেহরা! রণবীর সিং ও শহীদ কাপুরের কোচ
রাজীব জিভফিট এবং জিভফিটকিডসের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি জানান, আমি অনেক কারণে দুপুরের খাবার খাই না। আবার অনেক সময় আমি না খেয়ে থাকি। যেমন- ১৫ ঘন্টা, রাত ৯ টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৬ টা ৭ টার মধ্যে আমার প্রশিক্ষণ সেশন শুরু হয়। প্রথমেই আমি ব্যায়াম করি। মাঝে মধ্যে আমি অর্ডার করে খাবার কেয়ে থাকি। বাড়িতে দুপুরের খাই ৩টি জোয়ার বা রাগি ভাকরির রুটি, মুরগির মাংস, প্রচুর পরিমাণে কাঁচা সালাদ, যেমন- শসা, গাজর, টমেটো এবং বিট। শরীরে ফাইবার ও পুষ্টির জন্য আমি এক বাটি দই খাই। যেদিন নিরামিষ খাই সেদিন আমি একটি মেথি বা পালক সাক, সবজি খাই। ডিম খেলে আমি চারটি ডিম খাই সেটি সেদ্ধ বা অমলেট যাই হোক। দুপুরের খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ আমার ঠিক রাখতেই হয়। তাই আমি লাঞ্চে ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম প্রোটিন খাই । আমি কিন্তু ভাত খাই না।
যখন আমি বাড়ির বাইরে থাকি তখন আমি কুইনো, সবজি, গ্রিলড চিকেন খাই। আমি দুপুরের খাবার সাড়ে ১২ টা থেকে দেড়টার মধ্যে খাই। যখন আমার মিষ্টি খেতে ইচ্ছা করে তখন আমি ৭০ শতাংশ ডার্ক চকোলেটের একটি টুকরো খাই।

আংশুকা পারওয়ানি! দীপিকা পাড়ুকোন, অনন্যা পান্ডে, কারিনা কাপুর খানের কোচ
তিনি তাঁর খাবার সম্পর্কে জানান, আমি কিন্তু ঘরের খাবার খেতে ভালোবাসি। আমি কিন্তু খেতে খুব ভালোবাসি। আমার জন্য প্রতিদিন ভাত না হলে ভাকরির রুটি, ডাল ও সবুজ শাক-সবজি রান্না করা হয়। আমি মাঝে মধ্যে মাছ বা মাংস খেয়ে থাকি। আমি থালি জাতীয় খাবার খেতে খুব পছন্দ করি। তাছাড়া আমি বিভিন্ন ধরণের খাবারও খেতে পছন্দ করি। আমি যখন রেস্তোয় খেতে যাই তখন আমি আগে থেকেই মেনু জেনেনি, তারপর অর্ডার দিই।

নম্রতা পুরোহিত! অমিত সাধ, বরুণ ধাওয়ান, জাহ্নবী কাপুর, সারা আলি খান এবং মালাইকা অরোরার কোচ
মুম্বইয়ের পাইলেটস স্টুডিওর প্রতিষ্ঠাতা তিনি। আমি আমার একটু ভেবেচিন্তে খেয়ে থাকি। দুপুরের খাবারে আমি সবথেকে ভারী খাবার খেয়ে থাকি। এর মধ্যে থাকে ডাল, সবজি, জোয়ার, বাজরার রোটি বা পরোটা। স্প্রাউট সহ সালাদ বা দই, বা কখনও কখনও চাও আমি খাই। আমি বাড়িতে রান্না করা স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে খুব পছন্দ করে থাকি। আমাদের, ভারতীয় বাড়িতে রান্না করা খাবার যখন ভালো রান্না করা হয় তখন অত্যন্ত পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হয়ে থাকে।
