
সমীরণ পাল ও অরিত্রিক ভট্টাচার্য, খড়দা: খড়দায় ট্রেন-গাড়ি সংঘর্ষ (Train Accident)। স্থানীয়দের দাবি, লেভেল ক্রসিং খোলা ছিল, গাড়ি ঢুকতেই সংঘর্ষ। ২টি গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ ডাউন হাজারদুয়ারি এক্সপ্রেসের। সূত্রের খবর, অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা, কেউ হতাহত হননি। আধ ঘণ্টার বেশি বন্ধ ট্রেন চলাচল।
ট্রেন-গাড়ি সংঘর্ষ: উত্তর ২৪ পরগনার খড়দায় বন্ধ লেভেল ক্রসিংয়ের ওপর ট্রেন ও গাড়ির সংঘর্ষ। লাইনের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা চারচাকার একটি গাড়িকে ধাক্কা মারল ডাউন হাজারদুয়ারি এক্সপ্রেস। যদিও হতাহতের কোনও খবর মেলেনি বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে খবর, রবিবার রাত ৯টা নাগাদ, খড়দায় লেভেল ক্রসিংয়ের গেট পড়ার সময় প্রচন্ড গতিতে দুটি চারচাকার গাড়ি ট্রেন লাইনের ওপর এসে পড়ে। সেই সময় গেট পুরোপুরি পড়ে যাওয়ায় লাইনের ওপরেই আটকে পড়ে গাড়ি দুটি। এদিক, সিগন্যাল সবুজ হয়ে যাওয়ায় ততক্ষণে খড়দার ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ছেড়ে ধাক্কা মারে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়ির একটিকে। তড়িঘড়ি দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় যাত্রীদের। কেউ আহত না হলেও রেলের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ। যদিও দুর্ঘটনার দায় চারচাকার গাড়ির চালকের ওপরই চাপিয়েছেন পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র।
গাড়ি চালক বলেন, “আমি গেটের সামনে এসেছি, তখন অফিসার বললেন আমাকে পার হয়ে যাও। আরও একটা গাড়ি ছিল আমার সঙ্গে। রেল লাইন পেরিয়ে যখন এই দিকে এসেছি তখন রেল গেটটা ফেলে দিল। আমাদের বেরোতে দিল না। সঙ্গে সঙ্গে ৪ নম্বরে থ্রু ট্রেন এসে গাড়িতে মারল। ১ নম্বর, ২ নম্বরে ট্রেন ছিল। তারা সিগন্যাল পায়নি বলে দাঁড়িয়ে ছিল। এই ট্রেনটাকে সিগন্যাল দিয়ে দিল। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে গেটম্যান পালিয়ে গেল।”
পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, “লেভেল ক্রসিং গেট বন্ধ হচ্ছিল, সেই সময় একটি টাটা সুমো আরেকটি অটো ঢুকে যায়। এরা যেন কেন সিগন্যাল ফলো করে না বুঝতে পারি না। গেট পড়ার সময় যদি কোনও টাটা সুমো ঢুকে যায়, সেটা তার ভুল। আমরা ওই চালকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করছি। আমরা কড়া অ্যাকশন নিচ্ছি। এবিষয়ে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে কথা বলছি।”
(Feed Source: abplive.com)
