
নিজস্ব প্রতিবেদন: শুক্রবার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বলেন, ঝাড়খণ্ডের জনগণ “খুবই সংবেদনশীল এবং সহনশীল”। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন শুক্রবার জনগণকে সম্প্রীতি বজায় রাখার এবং অপরাধপ্রবণ কোনও কাজে অংশ না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
নবী মহম্মদ সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে সাসপেন্ড হন ভারতীয় জনতা পার্টির নেত্রী নূপুর শর্মা এবং বহিষ্কৃত হন নেতা নবীন জিন্দল। এই ঘটনার প্রতিবাদ হওয়ার পরেই রাঁচিতে কারফিউ জারি করা হয়। এরপরেই সাংবাদিক সম্মেলনে হেমন্ত সোরেন বলেন, “আমি হঠাৎ করে এই উদ্বেগজনক (বিক্ষোভ) ঘটনার বিষয়ে তথ্য পেয়েছি… ঝাড়খণ্ডের জনগণ সবসময়ই খুব সংবেদনশীল এবং সহনশীল… আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। আমি সকলকে সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য এবং এই ধরনের আরও অপরাধমূলক কাজে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”
পাথর ছোঁড়া এবং বেশ কয়েকটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ভাংচুরের ঘটনার পরেই বিক্ষোভ হিংসাত্মক রূপ নেয়। এই বিক্ষোভে বহু মানুষ আহত হয়েছেন। এরপরেই রাঁচি প্রশাসন শহরে কারফিউ জারি করে মানুষকে ঘরে থাকার জন্য আবেদন করে।
অন্যদিকে, রাঁচি পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) অনীশ গুপ্ত বলেন পরিস্থিতি “সামান্য উত্তেজনাপূর্ণ” হলেও “নিয়ন্ত্রনে” ছিল।
বিভিন্ন উপসাগরীয় দেশ নবীর বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করার পরে, দেশে পঞ্জাব, দিল্লি এবং উত্তরপ্রদেশ সহ বিভিন্ন রাজ্য বিক্ষোভের সাক্ষী থেকেছে।
(Source: zeenews.com)
