
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ‘কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স’ (সিপিআই) চোখ কপালে তোলার পক্ষে যথেষ্ট। খাদ্যপণ্যের চড়া দর নিয়ে কেন্দ্রকে তোপ দেগেছেন বিরোধীরাও। কিন্তু তাতে মধ্যবিত্তের কী? তাকে তো পকেট থেকে অতিরিক্ত কড়ি গুনতেই হচ্ছে। একদিকে দাবদাহের দহন, অন্য দিকে, বাজারের আগুন– দুই আগুনে পুড়ছে মধ্যবিত্ত।
গত সাত মাস ধরে ফুড ইনফ্লেশন ৮ শতাংশের নীচে নামেনি। এর মধ্যে দেশে খুচরো মূল্যবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নীচে নামলেও, খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির হার ৮ শতাংশের নীচে তো নয়ই, তা ৮ শতাংশের বেশিই। এই চড়া হার যে যথেষ্ট চিন্তার কারণ, তা ঋণনীতিতে আগেই বলেছিলেন আরবিআই গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। জানা গিয়েছে, খাদ্য-জ্বালানি বাদে অন্য পণ্যের দাম (কোর ইনফ্লেশন) কমলেও খাবারের দর যেখানে উঠে রয়েছে, তাতে বাধা পাচ্ছে মূল্যবৃদ্ধি কমার গোটা প্রক্রিয়াটাই।
খাদ্যপণ্যের চড়া দর নিয়ে কেন্দ্রকে তোপ দেগেছে বিরোধীরা। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীকে লেখা এক চিঠিতে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের এই চড়া দাম থেকে সাধারণ মানুষকে সুরাহার জন্য তাঁর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়।
কিন্তু কেন দাম বাড়ছে?
অপরাধী সেই তাপপ্রবাহ। এর জেরেই মে মাসে পাইকারি বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছিল ৯.৮২%। যা গত ১০ মাসে সর্বোচ্চ! প্রচণ্ড গ্রীষ্মে চাল-ডাল-সহ আনাজপাতি তরিতরকারি ফল-ফসলের উৎপাদন অতিমাত্রায় বিঘ্নিত হয়েছে। বাজারে কম আসছে। ফলে দাম বাড়ছে হু হু করে। কীসে রেহাই? ভাল বৃষ্টি হলে আগামী দিনে কৃষিক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে, কমতে পারে দামও। এমনটাই মত একাংশের।
(Feed Source: zeenews.com)
