
রাজীব চক্রবর্তী: দিল্লিতে সরকার টিকিয়ে রাখতেই কল্পতরু মোদী? কেন্দ্রীয় বাজেটে বিরুদ্ধে এবার এককাট্টা বিরোধীরা। আগামিকাল বুধবার যখন সংসদ ভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করল ইন্ডিয়া জোট, তখন নীতি আয়োগের বৈঠক বয়কট করার সিদ্ধান্ত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ডিএমকের স্ট্যালিন। একই পথে হাঁটবেন কংগ্রেসশাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও, জানালেন দলের নেতা কেসি বেণুগোপাল।
ঘটনাটি ঠিক কী? নজর শুধু বিহার আর অন্ধ্রে। এবারের বাজেটে এনডিএ দুই শরিক নীতীশ কুমার ও চন্দ্রবাবু নাইডুর রাজ্যের জন্য একের এক আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। বন্যা নিয়ন্ত্রণে সাড়ে এগারো হাজার কোটি টাকা। কোশি নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য। ব্রিজ, বিমানবন্দর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢালাও বরাদ্দ। এমনকী, বাদ গেল না অন্ধ্রপ্রদেশের রাজধানী অমরাবতীর উন্নয়নের জন্য ১৫০০০ কোটি টাকার তহবিলও!
বাকি রাজ্যগুলিকে কেন বঞ্চনা? মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা। মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি, ‘বাংলাকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত করা হয়েছে। বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। বাংলা ছেড়ে কথা বলবে না’। তিনি বলেন, ‘একজনকে দিতে গিয়ে আরেকজনকে বঞ্চিত করা যায় না। অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহারকে টাকা দিচ্ছে, তাতে আমার আপত্তি নেই। কিন্তু বৈষম্য করা যায় না। সংবিধান অনুযায়ী কাউকে বঞ্চিত করা যায় না। বাংলা অনেক বড় রাজ্য। ১০০ দিনের কাজের টাকা দেওয়া হচ্ছে না। বাজেটে ১০০ দিনের কাজ নিয়ে কোনও উল্লেখ-ই নেই। খাবারে ভর্তুকি নেই। সোনায় ভর্তুকি দিয়েছে। বাংলাতেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়। সেখানে বাংলা একমাত্র রাজ্য কী দোষ করল যে বঞ্চিত করা হল? দিশাহীন বাজেটে শুধুই অন্ধকার অন্ধকার আর অন্ধকার’।
২৭ জুলাই দিল্লিতে নিয়োগ আয়োগ বৈঠক। তবে তামিলনাড়ুর মুখ্য়মন্ত্রী মতো সেই বৈঠক বয়কটে রাস্তা যেতে হাঁটছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং নীতি আয়োগের বৈঠকেই কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবেন তিনি। সূত্রের খবর তেমনই।
(Feed Source: zeenews.com)
