
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আরজিকরকাণ্ডে তোলপাড় গোটা রাজ্য়। ‘ এই দোষীদের অন্তত সাজা হোক’, ফেসবুকে পোস্ট দিলেন অভিনেত্রী স্বত্বিকা মুখোপাধ্যায়। লিখলেন, ‘এইবার আর মেয়েটার দোষ, সে ভুল ভাবে ভুল সময়ে ভুল জায়গায় ছিল বলে তার দিকে আঙুল তুলব না। একটা হাসপাতালেও মেয়েরা নিরাপদ নয়? যাব কোথায়’? প্রতিবাদে সরব টলিউড।
সিট গঠন করেই ব্রেক থ্রু। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আরজিকর কাণ্ডের কিনারা। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে যে, ধৃত সঞ্জয় রায় হাসপাতালের কোনও কর্মী নয়, বহিরাগত। কিন্তু বিভিন্ন কাজের জন্য নিয়মিত হাসপাতালের ভিতরে অবাধ যাতায়াত ছিল ধৃতের। চেস্ট ডিপার্টমেন্টের থাকা একটি সিসিটিভির সূত্রে গ্রেফতার অভিযুক্ত। কিন্তু কী কারণে কেন সে ওই মহিলা চিকিত্সক-পড়ুয়াকে খুন করল, সেই কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। খুনের মোটিভ জানতে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিস।
ফেসবুকে অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী লিখেছেন, ‘আর জি কর এর ঘটনা নিয়ে কেউ সিপিএম, তৃণমূল, বিজেপি করতে এলে তাকে প্রত্যাখ্যান করা হোক। রাজনীতি, ভোট, দল সব কিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে প্রতিবাদ হোক’। আরজিকরকাণ্ডে প্রতিবাদে রাস্তায় নামার ডাক দিয়েছেন অভিনেতা জিতু কমল।
ফেসবুকে পরিচালক শ্রীজিত্ মুখোপাধ্যায় লিখছেন, ‘আমার শহর কুন্ঠিত বড়, ক্ষমা করো তুমি মেয়ে, পুরুষ বলেই গাইছি এ গান, শুধু মার্জনা চেয়ে…’। বুদ্ধিজীবীকে কটাক্ষ করেছেন অভিনেতার মৈনাক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রশ্ন, ‘ওনারা কি নিজের হাতে মোমবাতি বানাবেন, তারপর বেরোবেন’?
অভিনেতা রাহুলের লিখছেন, ‘যারা আমাদের রক্ষা করছে তাদের রক্ষা করবে কে’ ?
আরজিকরকাণ্ডে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, ‘এই ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। ওদের(চিকিত্সক) ক্ষোভ ও দাবি ন্যায্য। আমি সমর্থন করি। পুলিস ওদের দাবি মেনে নিয়েছে। আমি মামলাটা ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্টে নিয়ে যেতে বলেছি। প্রয়োজনে অভিযুক্তদের ফাঁসি দেওয়া হবে। কিন্তু ওদের কঠিনতম সাজা হওয়া দরকার’। সঙ্গে বার্তা, ‘যাঁরা প্রতিবাদ করছেন, তাঁদের যদি রাজ্য প্রশাসনের উপর আস্থা না থাকে, তাহলে যেকোনও এজেন্সির কাছে য়েতে পারেন। আমার আপত্তি নেই’।
(Feed Source: zeenews.com)
