Kolkata Doctor Rape and Murder Case: রোগীদের দুর্ভোগ কাম্য নয়, চিকিত্‍সকদের কাজে ফেরাতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের…

Kolkata Doctor Rape and Murder Case: রোগীদের দুর্ভোগ কাম্য নয়, চিকিত্‍সকদের কাজে ফেরাতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আরজি করে ট্রেনি মহিলা চিকিত্‍সককে ধর্ষণ, খুনের ঘটনার প্রতিবাদে ফুঁসছে গোটা দেশ। বিদেশের মাটিতেও ছড়িয়ে পড়েছে সেই বিক্ষোভের আঁচ। এই আবহে শনিবার গোটা দেশ জুড়ে ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক দিল চিকিত্‍সকদের বৃহত্তম সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন।

আন্দোলনের মাঝেই এবার অ্যাকশনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, চিকিৎসকদের সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় আইন আনার বিষয়ে কমিটি গঠনের আশ্বাস দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া মরশুম চলছে। জনস্বাস্থ্যের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে চিকিৎসকদের আন্দোলন প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানো হল কেন্দ্রের তরফে। আইএমএ এবং ফোরডা সহ একাধিক অ্যাসোসিয়েশনের রিপ্রেজেন্টেশনের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্ত।

চিকিত্‍সকদের কর্মবিরতির জেরে নাজেহাল অবস্থায় রোগীরা। সেই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাওয়ানোর জন্য এদিন বিভিন্ন চিকিৎসক সংগঠন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সঙ্গে দেখা করে। এরপর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে চিকিৎসকরা যাতে নিরাপত্তা পান সেদিকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তারা যেন রোগীদের এই হয়রানি শেষ করেন। চিকিৎসকদের দাবিগুলি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল ৬টা থেকে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সব ধরনের নন-ইমারজেন্সি মেডিক্যাল সার্ভিস বন্ধ রাখা হবে। ফলে খুলবে না আউটডোর। সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, আপত্কালীন পরিষেবা ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় সবরকম পরিষেবা দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন চিকিত্সকেরা। বুধবার রাতে আরজি কর হাসপাতালে হামলার ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার আপত্কালী বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। অন্যান্য মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তাররাও এই কর্মবিরতিতে সামিল হয়েছেন। এর ফলে রোগী ভোগান্তি চলছেই।

অন্যদিকে, নিহত ছাত্রীর বাবা-মা তাদের মেয়ের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ তুলেছেন। এবার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন নির্যাতিতার বাবা। মৃতার বাবার সন্দেহ যে ঘর থেকে দেহ উদ্ধার হয়েছে সেইখানে হয়তো মেয়েকে মারাই হয়নি, অন্য কোনও ঘরে মেরে তারপর ওই ঘরে আনা হয়েছে।

মৃতার পরিবারের সন্দেহ, পুরো ডিপার্টমেন্ট এর জন্য দায়ী। অনেক বড় চক্র এর সঙ্গে জড়িত। নির্যাতিতার বাবা আরও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন, ‘মেয়ে সিনিয়র ডাক্তারদের থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা পেত না, যা তার পেশাগত জীবনে সমস্যা সৃষ্টি করেছিল।’ তিনি অভিযোগ করেন, পাঁচজনের ডিউটিতে চারজন পুরুষের সঙ্গে তার মেয়েকে একা রাখা হত, যা তার জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

(Feed Source: zeenews.com)