
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বলা হচ্ছে, স্মরণকালের মধ্যে বাংলাদেশে এরকম বন্যা হয়নি! বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত বন্যা আক্রান্ত জেলার সংখ্যা ৬। কুমিল্লা, ফেনী, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালি ও মৌলভিবাজার। এইসব জেলার ৪৩টি উপজেলা বন্যাপ্লাবিত। প্রায় ১৮ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। দেশের এই অবস্থায় তারকা থেকে সাধারণ মানুষ যে যার মতো করে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াবার চেষ্টা করেছেন।
বুধবার জলের মধ্যে বসে থাকা এক শিশুর ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন, ‘আল্লা! কি করবো আমি! বুকের ভেতরে দুমরে মুচরে যাচ্ছে। এই চোখের দিকে তাকিয়ে কি করে ঘুমাবো!’ আরও লেখেন, আল্লাহ তুমি সহায় হও। কেউ নাই আর এখন। আমি যাবো, আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে যা করার করবো, ইনশাআল্লাহ।’ অভিনেত্রী মাহিয়া মাহিও প্রকাশ করেছেন নিজের অনুভূতি। একের পর এক স্ট্যাটাস দিয়ে বন্যাকবলিতদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছেন সবাইকে।
ফেসবুকে মাহি লিখেছেন, ‘যদি হেলিকপ্টার নিয়ে কোনো সাহায্য না আসে তাহলে কেউ দয়া করে লাশ সংগ্রহ করতে আসবেন না। হেলিকপ্টার ছাড়া ফেনী, ফুলগাজী ও পরশুরামের মানুষদের আর কোনোভাবেই রক্ষা করা যাবে না।’ দেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীও। ফেসবুকে বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিনেতা লিখেছেন, ‘আসুন, আমরা সবাই বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়াই।’
তবে নেটিজেনদের একাংশের শ্লেষ সহ্য করতে হয়েছে তাঁকে। অনুরাগীদের একাংশ কটাক্ষ ও আক্রমণাত্মক মন্তব্যে জর্জরিত করেছেন অভিনেতাকে। কেউ লিখেছেন, ‘আপনাকে পাশে দাঁড়াতে হবে না। আমরাই যথেষ্ট। গুলি খাইতেছিলাম, তখন তো পাশে দাঁড়ানোর কথা মনে ছিল না, এখন আসছে মায়াকান্না দেখাতে।’ কারও মতে, ‘এটেনশন সিকার, দাদা এই চান্সটা কাজে লাগাও।
এদিকে এই বন্য়া ভারতের দোষে নাকি প্রকৃতির রোষে? বিতর্ক দানা বেঁধেছে পদ্মাপারে। বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা মহম্মদ নাহিদ ইসলামের দাবি, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই সব বাঁধ খুলে দিয়ে বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। এমনকী, বাংলাদেশে বন্য়ার প্রতিবাদে ভারতবিরোধী মিছিলও করে ফেলেছে পড়ুয়া।
চুপ করে থাকেনি ভারতও। বিদেশমন্ত্রকে তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, গুমতি নদী থেকে জল ছাড়ার জন্য বাংলাদেশের এই বন্যা হয়নি। এর অর্থ, ভারত এজন্য কোনও ভাবেই দায়ী নয়।
(Feed Source: zeenews.com)
