বাংলা আপনার দোরগোড়ায়,পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করতে মমতার দাওয়াই

বাংলা আপনার দোরগোড়ায়,পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করতে মমতার দাওয়াই

Travel

lekhaka-Sutapa poddar

সমুদ্র বলতে যেমন বোঝায় দীঘা পুরী,তেমনি হিল স্টেশন বা শৈল শহর বলতে বোঝায় দার্জিলিং। কথাতেই আছে বাঙালির দীপুদা অর্থাৎ দীঘা, পুরী এবং দার্জিলিং, য়েখানে বাঙালিরা প্রায়ই শর্ট ট্রিপে বেরিয়ে পড়েন। দার্জিলিংয়ের পার্শ্ববর্তী কালিম্পংও জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। পাহাড়ি এলাকার মনোরম পরিবেশ, চা বাগান, কাঞ্চনজঙ্ঘার ভিউ এই সব নিয়ে বাংলার পাহাড়ি সৌন্দর্য।

দার্জিলিংয়ের চায়ের স্বাদ পৃথিবী বিখ্য়াত। দার্জিলিংয়ের টয়ট্রেনকে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের তালিকাভুক্ত করেছে। আর যেটা ছাড়া দার্জিলিং অসম্পূর্ণ তা হল,টাইগার হিল থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘায় সূর্যোদয় দেখা।পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার পর্যটন শিল্পকে কেন্দ্র করে বড় পদক্ষেপ করেছে। বঙ্গবাসীকে স্বল্প ভ্রমণের মাধ্যমে তাদের নিজস্ব রাজ্য অন্বেষণ করতে উৎসাহিত করছে রাজ্য সরকার।

বাংলা আপনার দোরগোড়ায়

দার্জিলিং-এর সবুজ চা বাগান হোক বা কালিম্পং পর্বতের স্বর্গীয় সৌন্দর্য সহ বাংলার পর্যটন সম্পর্কিত সমস্ত কিছুর বিস্তারিত তথ্য এখন আপনা পাবেন হাতের কাছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন বিভাগ রাজ্যের ২৩টি জেলা জুড়ে প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলিকে হাইলাইট করার জন্য বাসিন্দাদের কাছে ব্রোশার বিতরণ শুরু করেছে। লিফলেটগুলি ‘দুয়ারে সরকার’-এর অংশ হিসাবে বিতরণ করা হচ্ছে। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের একটি চলমান ডোরস্টেপ ডেলিভারি স্কিম যা আউটরিচ ক্যাম্পের মাধ্যমে নির্দিষ্ট রাজ্য-স্পন্সর স্কিমের এই সুবিধা প্রদান করে থাকে।

তথ্য সমৃদ্ধ পর্যটন ব্রোশিওর

রঙীন, দুই পৃষ্ঠার ব্রোশিওরগুলি রাজ্যের বিশিষ্ট স্থানগুলি সম্পর্কিত বাস্তব তথ্য প্রদান করে। তারা পর্যটকদের পরিষেবা পেতে বিভাগ দ্বারা পরিচালিত হোটেল এবং রিসর্টগুলিও উল্লেখ করে। এখানে হোটেলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের তথ্যও দেওয়া হয়েছে। দার্জিলিং সংক্রান্ত লিফলেটে পদ্মজা নাইডু হিমালয়ন চিড়িয়াখানা, বাতাসিয়া লুপ, ঘূম বৌদ্ধ মঠ ইত্যাদির উল্লেখ রয়েছে। মুর্শিদাবাদের ব্রোশিওরটিতে রাজকীয় ইতিহাসকে প্রতিফলিত করে। ব্রোশিওর দেখে মুর্শিদাবাদ জেলা জাদুঘর, হাজারদুয়ারি প্রাসাদ এবং নিজামত ইমামবাড়া পরিদর্শন করে অভিজ্ঞতা লাভ করা যায়।

গত কয়েক বছরে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার পর্যটন শিল্পকে মজবুত করার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছে,তার থেকে রাজ্যের জিডিপির প্রায় ১২ শতাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজ্যের উত্তর ও দক্ষিণ অংশে বেশ কিছু নতুন পর্যটন স্থান গড়ে উঠেছে।