কুণালকে ফের রাজ্যসভায় পাঠানোর দাবি, ‘দলের জন্য কী করেছেন জহর সরকার? মমতার উচিত..’

কুণালকে ফের রাজ্যসভায় পাঠানোর দাবি, ‘দলের জন্য কী করেছেন জহর সরকার? মমতার উচিত..’

কলকাতা: একদিক আজ আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Case) প্রতিবাদে রাত দখলের ডাক। ঠিক এমনই এক মুহূর্তে, এবার খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছেন জহর সরকার (Jawhar Sircar Resignation )। আর ঘোষণা প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূলে ডামাডোল। এদিকে, জহর সরকারের পদত্যাগ ঘোষণার পর  কুণালকে ফের রাজ্যসভায় পাঠানোর দাবি সোশাল সাইটে পোস্ট টিএমসিপি নেতা সন্দীপন মিত্রের।

টিএমসিপি নেতা সন্দীপন মিত্রের দাবি, ‘কুণাল ঘোষকে আবার রাজ্যসভায় পাঠানো হোক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত, এ ধরনের অভিজাত লোকদের টিকিট দেওয়া বন্ধ করা। সাংসদ পদের সুযোগ সুবিধা ভোগ করা ছাড়া গত ৩ বছরে দলের জন্য কী করেছেন জহর সরকার?’, সোশাল সাইটে প্রশ্ন তুলে পোস্ট টিএমসিপি নেতা সন্দীপন মিত্রের।

ফের আর জি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদ তৃণমূলের অন্দরমহলে। এবার খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন জহর সরকার। সাংসদ পদে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পাশাপাশি, রাজনীতিও ছাড়তে চান এই অবসরপ্রাপ্ত আমলা।চিঠিতে মূলত দুটি বিষয় উল্লেখ করেছেন জহর সরকার। এক, আর জি কর-কাণ্ডের প্রেক্ষিতে জন-জাগরণ, যা রাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে পৌঁছে গিয়েছে বিশ্বের দরবারে। এই গণ-আন্দোলন তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা চিঠিতে জানিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ।

তৃণমূল নেত্রীকে লেখা চিঠিতে জহর সরকার লিখেছেন, মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষোভের কারণ দুর্নীতিগ্রস্তদের প্রশ্রয় দেওয়া।কোনও সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের এমন ক্ষোভ ও অনাস্থা আমি আগে দেখিনি। আর জি কর-কাণ্ডে আপনার সক্রিয় হস্তক্ষেপ আশা করেছিলাম। এখন সরকার যে পদক্ষেপ নিচ্ছে, খুবই সামান্য, অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্তবিক্ষোভে রাজনীতির রং লাগানো হচ্ছে বলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠিতে লিখেছেন জহর সরকার।

অপরদিকে,  তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘আমরাও যেটা চাই, যেটা হয়তো জহর সরকার চাইছেন, যেটা হয়তো সাধারণ মানুষ চাইছেন, সেরকম এমন কিছু পয়েন্ট আছে, সেটা আমরাও চাইছি। কিন্তু, আমরা সেটা মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বা অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের নেতৃত্বে দলের মধ্য়ে থেকে, আমরা চাই, দল এবিষয়ে এমন কোনও ইতিবাচক স্টেপ নিক, যাতে সাধারণ মানুষের কিছু প্রশ্ন, কিছু বিরক্তি, কিছু ইস্য়ু-ভিত্তিক ক্ষোভ আছে, সেগুলোকে প্রশমন করা যায়।’

(Feed Source: abplive.com)