
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ‘হয় অভিযুক্তকে গুলি করো নয় আমাকে গুলি কর।’ গণধর্ষণের ‘শকে’ আর্তি ইন্দোরের নির্যাতিতার। ইন্দোরে ২ ট্রেইনি সেনা অফিসারকে নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, প্রবল মারধর করা হয়। সেইসঙ্গে তাদের সঙ্গে থাকা এক মহিলাকে গণধর্ষণ করে দুষ্কৃতীরা। মঙ্গলবার সন্ধেয় নক্ক্যারজনক ঘটনাটি ঘটে ইন্দোরের কাছে। সেই ঘটনার নিদারুণ ‘শক’ থেকে নির্যাতিতা মহিলা এবার আর্তি জানালেন, ‘হয় অভিযুক্তকে গুলি করো, নয় আমাকে গুলি করো।’
ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় এফআইআর দায়ের হয়েছে। ট্রেইনি সেনা অফিসারকে মেরেধরে বেঁধে রেখে, তাঁদের চোখের সামনেই চলে তাঁদের বান্ধবীর শরীরের গণ-ভোগদখল। জানা গিয়েছে, সেনাবাহিনীর এমহাউ আর্মি কলেজে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন ওই দুই ট্রেইনি অফিসার। বিকেল দুই বন্ধু মিলে গিয়েছিলেন ছোটি জাম ফায়ারিং রেঞ্জের কাছে বেড়াতে। তাদের সঙ্গে ছিলেন আরও দুই মহিলা। আচমকা তাদের ঘিরে ধরে ৮ জন দুষ্কৃতী। তাদের হাতে ছিল পিস্তল, ছুরি-সহ ধারালো অস্ত্র। ওই দুই আর্মি অফিসারের কাছে থাকা সব জিনিসপত্র নিয়ে নেয় দুষ্কৃতীরা।
পরিস্থিতি আরও জটিল আকার নেয় যখন দুষ্কৃতীরা দুই ট্রেইনি আর্মি অফিসার ও এক মহিলাকে আটকে রাখে। আর সঙ্গী অন্য মহিলার উপর নির্যাতন চালায়। তারপর এক অফিসারকে ছেড়ে দিয়ে বলে ১০ লাখ টাকা আনতে। ওই আর্মি অফিসার তারপর তাঁর ইউনিটে ফিরে গিয়ে গোটা ঘটনার কথা খুলে বলে। খবর পেয়েই সেখান থেকে পুলিস ও সেনা বাহিনীর লোকজন ছুটে এসে বাকিদের উদ্ধার করে। ওদিকে পুলিস ও সেনা আসতে দেখে দুষ্কৃতীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এরপর ওই ৪ জনকেই উদ্ধার করে এমহাউ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুই অফিসারের দেহে প্রচুর আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। অন্যদিকে ডাক্তারি পরীক্ষায় সঙ্গী মহিলার শরীরে গণধর্ষণের প্রমাণও মিলেছে।
পুলিস জানিয়েছে, তারা ওই নির্যাতিতার বয়ান রেকর্ড করতে তিনি শুধু একটা কথা-ই বলতে থাকেন, ‘হয় অভিযুক্তকে গুলি করো, নয় আমাকে গুলি করো।’ তাই বয়ান রেকর্ড করার জন্য তাঁর সুস্থ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। তিনি সুস্থ হয়ে উঠলে, তারপরই বয়ান রেকর্ড করা হবে। অনিল, পবন এবং রীতেশ নামে ৩ জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিস।
(Feed Source: zeenews.com)
