R G Kar Case | Supreme Court: ময়নাতদন্তের সময়ে ছিল না অন্তর্বাস? ‘সিবিআই রিপোর্টে এমন তথ্য যা খুবই চিন্তার’, উদ্বেগ সুপ্রিম কোর্টের!

R G Kar Case | Supreme Court: ময়নাতদন্তের সময়ে ছিল না অন্তর্বাস? ‘সিবিআই রিপোর্টে এমন তথ্য যা খুবই চিন্তার’, উদ্বেগ সুপ্রিম কোর্টের!

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আরজি কর-কাণ্ডে সিবিআই রিপোর্টে উদ্বেগ প্রকাশ সুপ্রিম কোর্টের। এদিন শুনানিতে শীর্ষ আদালতের স্পষ্ট বক্তব্য, “সিবিআই যা যা রিপোর্টে লিখেছে, সেটা চিন্তার। সবকিছু বলতে পারছি না। কিন্তু তা চিন্তার। গোটা বিষয়ের তদন্ত দরকার। সিবিআই-এর হাতে অনেক লিডস এসেছে। মৃতার বাবা যে চিঠি দিয়েছেন তাতেও বেশকিছু ইনপুট দিয়েছেন। সেগুলোকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে সিবিআইকে। সিবিআই মৃতার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে। রেসিডেন্ট ডক্টরসদের পক্ষে কিছু অভিযোগ করা হয়েছে। মুখবন্ধ খামে সেগুলো সিবিআইকে দিতে হবে‌। সিবিআই তা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখবে।”

পাশাপাশি, প্রধান বিচারপতি এদিন জানতে চান, “কলকাতা পুলিস কি সিবিআই-কে সহযোগিতা করছে? ভিভিআর সহ সব তথ্যপ্রমাণ তুলে দেওয়া হয়েছে?” সিবিআই জানায়, “মাত্র ২৭ মিনিটের ভিডিয়ো দেওয়া হয়েছে।”  সলিসিটর জেনারেলকে প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দেন, “ডেডবডি চালান যেটি কলকাতা হাইকোর্টে জমা দেওয়া হয়েছিল, সেটি সম্পর্কে সবকিছু খতিয়ে দেখবে সিবিআই।” একইসঙ্গে এদিন প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, “তদন্ত চলাকালীন তদন্তের খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে সব পক্ষকে। সিবিআই-কে একটু সময় দেওয়া দরকার সত্য উদ্ঘাটনের জন্যে। আমরা সবটার উপর নজর রাখছি। তদন্তের গোপনীয়তা নিয়ে সব আইনজীবী সতর্ক থাকবেন। গোপনীয়তা ফাঁস হলে তদন্তে প্রভাব পড়তে পারে।”

সিবিআই-এর তরফেও শীর্ষ আদালতে জানানো হয় যে,”চার্জশিটের ক্ষেত্রেও আমরা খুব সতর্ক থাকব। যাতে কোনওভাবে অভিযুক্তের পক্ষে কোনও সুবিধা না হয়।” পাশাপাশি, এদিন সিনিয়র ডাক্তারদের অনুরোধে ধর্ষণ-খুন এবং আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই-কে দুটি পৃথক স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার দেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। সিনিয়র ডাক্তাদের তরফে এদিন আদালতে বলা হয়, “সন্দীপ ঘোষ ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাতেও গ্রেফতার হয়েছেন। আমাদের অনুরোধ, দুটো বিষয়ে পৃথক স্টেটাস রিপোর্ট দিক সিবিআই।”

যার উত্তরে প্রধান বিচারপতি সলিসিটর জেনারেলকে দুটো পৃথক স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য সিবিআইকে নির্দেশ দেন। একটি ধর্ষণ-খুন, অন্যটি আর্থিক দুর্নীতি। এদিন শীর্ষ আদালতে সিবিআই-এর আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি বলেন, “দুটো সিজার লিস্ট আছে। ঘটনাস্থল এবং ময়নাতদন্তের জায়গায়।” এমনকি প্রশ্ন তোলেন, “মৃতের পোশাক ময়নাতদন্তের সময় পাঠানো হয়েছিল কি?” আরও বলেন, “পরের দিন ম্যাজিস্ট্রেটকে যে নমুনা পাঠানো হয়েছিল, সেটা কবের, তাও দেখা দরকার।” প্রসঙ্গত পরবর্তী শুনানি এক সপ্তাহ পর ২৫ সেপ্টেম্বর।

(Feed Source: zeenews.com)