
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ৪ ছেলেমেয়েকে দেখাশোনার করার জন্য রাখা আছে আয়া। সে থাকে ২৪ ঘণ্টাই। জানা গিয়েছে, কেলি অ্যান্ড্রেড সেই আয়ার ঘরের স্মোক ডিটেক্টরে লুকোনো ছিল ক্যামেরা। হঠাত্ই তিনি একদিন লক্ষ্য করলেন যে, তাঁর মালিক এস্পোসিটো ঘন ঘন সেটিকে ঠিক করতে আসে। এই দেখে মিস অ্যান্ড্রেডের মনে সন্দেহ জাগে।
তারপরই একদিন সে স্মোক ডিটেক্টরটি চেক করতে গিয়ে দেখে সেখানে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা লুকানো আছে। শুধু তাই নয়, সেই ক্যামেরা আছে একটি মেমরি কার্ড- যার মধ্যে শত শত রেকর্ডিং। সেই রেকর্ডিং চালু করে দেখতেই তার চক্ষু চড়কগাছ। প্রত্যেক রেকর্ডিংয়ে ভর্তি তাঁর জামা-কাপড় বদলানোর অন্তরঙ্গ দৃশ্য। এইগুলি সামনে আসার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর মালিক বাড়ি ফেরে। ভয়ে কেলি জানালা দিয়ে পালিয়ে যায়। অন্যদিকে মালিক এস্পোসিটো তাঁর দরজায় ঠকঠক করতে থাকে।
এইসবের পর কেলি তত্ক্ষণাত্ পুলিসের দ্বারস্থ হয়। এস্পোসিটোকে অবৈধ নজরদারির সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়। তাকে ৪ বছরের কারাদণ্ডের শাস্তি হয়। যদিও ক্ষমতাশালী হওয়ার কারণে দুবছর পর সে ছাড়া পেয়ে যায়। অন্যদিকে, আদালত এস্পোসিটো এবং তার স্ত্রীকে মানসিক যন্ত্রণার ক্ষতিপূরণের জন্য কেলিকে ২৩ কোটি টাকা জরিমানা দিতে হয়।
(Feed Source: zeenews.com)
