
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পুজো যত এগিয়ে আসছে ততই পুজোকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে বাংলাদেশে। সরকার জানিয়ে দিয়েছে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হবে পুজোতে। তার পরেও হুমকি দেওয়া কমছে না।
বাংলাদেশে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-জনতা’ নামে একটি সংগঠন একটি লিফলেট বিলি করেছে। সেখানে পুজোকে ঘিরে ১৬ দফায় পুজো বিরোধিতা করা হয়েছে। তার মধ্য়ে প্রধান বক্তব্য হল পুজো সর্বজনীন নয়। বাংলাদেশের হিন্দুদের ভারতের দালালি বন্ধ করতে হবে।
ওই ১৬ দফার ফতোয়ায় লেখা হয়েছে কোনও পুজো মণ্ডপে দুর্গাপুজোকে সর্বজনীন বলে উল্লেখ করা যাবে না। কারণ ধর্ম যার যায় উত্সবও তার তার। রাস্তা বন্ধ করে যত্রতত্র পুজো করা যাবে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুজোর মণ্ডপ করা যাবে না। মন্দিরে জোরে মাইক বাজানো যাবে না। এতে নামাজের অসুবিধা হয়। পুজোয় মদ খাওয়া যাবে না। প্রতিমার উচ্চতা ইচ্ছেমতো বাড়ানো যাবে না।

ছাত্র-জনতার তরফে বিলি করা ওই লিফলেটে আরও বলা হয়েছে, পুজো শেষে প্রতিমা জলে বিসর্জন দেওয়া যাবে না। কারণ এতে জল দূষণ হয়, পরিবেশের ক্ষতি হয়, মাছ মারা যায়। ত্রাণের টাকা পুজোয় দেওয়া যাবে না। দুর্গাপুজোয় ছুটি ঐচ্ছিক করতে হবে, সাধারণ ছুটি হিসেব এটি বাতিল করতে হবে। দেশের ৯৮ ভাগ মুসলিমকে পুজোয় কাজ থেকে বাইরে রাখা যাবে না। পুজোয় চাঁদাবাজি করা যাবে না। কোনও মুসলিমের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়া যাবে না। রাস্তায় পুজোর গেট করা যাবে না। হিন্দু মানেই ভারতের দালাল, এই অপবাদ হিন্দুদেরেই ঘোচাতে হবে।
এখানেই থেমে থাকেনি ওই লিফলেটের বক্তব্য, লেখা হয়েছে বাংলাদেশে অনেক খাস জমি দখল করে মন্দির বানানো হয়েছে। ওইসব জমি দখল মুক্ত করতে হবে। অনেক মন্দিরে অখণ্ড ভারত তৈরির মিটিং হয়ে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এরকম হলে সেই মন্দির বন্ধ করতে হবে। পুজোয় যাতে কোনও মুসলিম অংশ নিতে না পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে।
(Feed Source: zeenews.com)
