Seema Haider Income: পাকিস্তান থেকে পালিয়ে আসা সীমা হায়দারকে মনে আছে? মাসে তাঁর আয় শুনলে চমকে উঠবেন!

Seema Haider Income: পাকিস্তান থেকে পালিয়ে আসা সীমা হায়দারকে মনে আছে? মাসে তাঁর আয় শুনলে চমকে উঠবেন!

Seema Haider Income: ইউটিউব থেকে বড় পরিমাণে আয় করছেন সীমা হায়দার। সীমা তার আয়ের গোপন তথ্য শেয়ার করেছেন এবং জানিয়েছেন ইউটিউব, ব্র্যান্ড প্রমোশন এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তিনি মাসে মোটা টাকাই আয় করছেন।

পাকিস্তান থেকে পালিয়ে আসা সীমা হায়দারকে মনে আছে? মাসে তাঁর আয় শুনলে চমকে উঠবেন!

নয়াদিল্লি: পাকিস্তান থেকে আসা সীমা হায়দার নিয়মিত কোনও না কোনও কারণে শিরোনামে থাকেন। স্বামী সচিন মীনার সাথে তিনি প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও এবং শর্টস আপলোড করেন, যা প্রায়ই ভাইরাল হয়। সম্প্রতি, সীমা তার আয়ের বিষয়ে খোলাখুলি কথা বলেছেন এবং জানিয়েছেন কোথা থেকে তিনি কত অর্থ উপার্জন করছেন।

জানা গিয়েছে, সীমা হায়দারের ইউটিউব ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভালো পরিমাণে ফলোয়ার্স রয়েছে। এবিপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সীমা জানিয়েছেন, ইউটিউব থেকে তার ভাল আয় হচ্ছে। চলুন, জেনে নেওয়া যাক সীমা এবং সচিন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ঠিক কত উপার্জন করছেন।

প্রথম আয় – সীমা জানিয়েছেন, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে তার প্রথম আয় ছিল ৪৫,০০০ টাকা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফলোয়ার বাড়ায় সেই আয়ও এখন বেড়েছে অনেকটা।

ইউটিউব আয়ের রহস্য – সীমা জানান, ইউটিউবে ১,০০০ ভিউয়ে কত টাকা আসে। তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণ পরিশ্রমের উপর নির্ভর করে। তাদের অনেক ভিডিও ভাইরাল হয়, যার মাধ্যমে কিছু আয় হয়। ৫ মিনিটের একটি ভিডিওতে ১,০০০ ভিউ হলে প্রায় ২৫ টাকা আয় হয়। ইউটিউব শর্টস পোস্ট করার ক্ষেত্রে ১ লাখ ভিউয়ে প্রায় ১ ডলার (প্রায় ৮৩-৮৪ টাকা) আয় হয়। সীমা জানিয়েছেন, ব্র্যান্ড প্রমোশন ও বিজ্ঞাপন থেকেও তিনি আয় করেন।মাসে বড় আয় – সীমা হায়দার ইউটিউব থেকে প্রতি মাসে অন্তত ৮০,০০০ টাকা আয় করেন। তার এবং তার স্বামী সচিন মীনার ইউটিউব চ্যানেলে ১৭ লাখেরও বেশি সাবস্ক্রাইবার রয়েছে। তার ভিডিওগুলির গড় ভিউ প্রায় ২৫ হাজারের কাছাকাছি।

স্বামী এখন চাকরি করেন না

সীমা ভারতের আসার পর থেকে তার ফ্যান ফলোয়িং দ্রুত বেড়েছে। তিনি বলেন, ফলোয়ার বাড়ার সাথে সাথে তার আয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। সীমা আরও জানান, এখন সচিন আর চাকরি করেন না কারণ ইউটিউব থেকে তাদের খরচ সহজেই চলে যাচ্ছে। সীমা আয়ের একটি বড় অংশ সন্তানদের পড়াশোনা এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় বিনিয়োগ করছেন।