
Harish Kundu- ২০২৩ সালে ফিফার ব্যাজ পান হরিশ। এখনও পর্যন্ত ৩৫৩টি ম্যাচে ২৩টি লাল কার্ড এবং ৫৮৯টি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন। আইএসএল ছাড়াও আই লিগ, দ্বিতীয় ডিভিশন আই লিগ, ডুরান্ড কাপ, ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ এবং এএফসিতে ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।
কলকাতা: মাত্র ৩২ বছর বয়স তাঁর। কিন্তু মাঠে তাঁর শরীরী ভাষা দেখলে মনে হবে, রেফারি হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতার বয়স অনেক। রেফারি হরিশ কুণ্ডুকে নিয়ে এখনই ভারতীয় ফুটবলে কানাঘুঁষো, তিনি ক্লাব বা ফুটবলারের নাম দেখেন না। বাঁশি মুখে মাঠে নামলে তাঁর কাছে ফিফার রুল বুকই শেষ কথা।
কড়া রেফারি হিসাবে ইতিমধ্যে নামডাক হয়েছে তাঁর। কার্ড দেখাতে ইতস্তত করেন না কখনও। এহেন রেফারির কড়া নজর এদিন এড়াতে পারলেন না ইস্টবেঙ্গলের দুই ফুটবলার নন্দকুমার এবং মহেশ সিংহ। আইএসএলের মিনি ডার্বিতে এদিন নন্দকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান তিনি। তার পর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মহেশকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড এবং লাল কার্ড দেখিয়ে মার্চিং অর্ডার দেন।
২০২৩ সালে ফিফার ব্যাজ পান হরিশ। এখনও পর্যন্ত ৩৫৩টি ম্যাচে ২৩টি লাল কার্ড এবং ৫৮৯টি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন। আইএসএল ছাড়াও আই লিগ, দ্বিতীয় ডিভিশন আই লিগ, ডুরান্ড কাপ, ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ এবং এএফসিতে ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। এখনও পর্যন্ত মোট ১৯টি পেনাল্টি দিয়েছেন।
আইএসএলে টানা ছয় ম্যাচ হেরেছিল ইস্টবেঙ্গল। এর পর এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে যায় লাল-হলুদ। গ্রুপের প্রথম ম্যাচ ড্র। তার পর একের পর এক জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইস্টবেঙ্গল। তবে এদিন আইএসএলের কলকাতা মিনি ডার্বিতে গোলশূন্য ড্র, এক পয়েন্টেই সন্তুষ্ট থাকতে হল ইস্টবেঙ্গলকে। যদিও অনেকে বলছেন, ৯ জনের ইস্টবেঙ্গলকে বাগে পেয়েও হারাতে পারল না মহামেডান।
