
তবে মনে মনে তাঁর একটাই ইচ্ছা ছিল মালিকের অধীনে আর কাজ না করে একদিন নিজেই মালিক হবেন। এক সময়ের পারিযায়ী শ্রমিক, আজ সফল উদ্যোক্তা! কাজ যোগাচ্ছেন এলাকার যুবকদের
উত্তর ২৪ পরগনা : এক সময় রুজি রুটির টানে রাজ্য পেরিয়ে ভিন রাজ্য তথা মুম্বই শহরে কাজের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছিলেন। সেখানে কয়েক বছর আগে পারিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করেও স্বচ্ছলতার মুখ দেখতে পায়নি। শেষমেষ একপ্রকার নিরাশ হয়ে ঘরে ফেরা। তারপরই ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে আজ সফল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহাকুমার মিনাখাঁর প্রত্যন্ত গ্রাম হোসেনপুরের যুবক রজিমুদ্দিন মোল্লা! আজ সেলাই কারখানার মালিক। এ যেন এক জিরো থেকে হিরো হয়ে ওঠার গল্প।
একটা সময় স্বামী-স্ত্রী দু’জনকে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতে হত! বছর ৩৫ এর যুবক রজিমুদ্দিন বর্তমানে তিনি একটা সেলাই কারখানার মালিক। তাঁর কারখানা থেকে মেশিনের মাধ্যমে তৈরি হয় একের পর এক শার্ট। আজ তাঁর কারখানায় কাজ করছে গ্রামের যুবকরা। উত্তর ২৪ পারগানা জেলার বসিরহাট মহকুমার মিনাখাঁর চাপালি গ্রাম পঞ্চায়েতের হোসেনপুরের বাসিন্দা রজিমুদ্দিন পরিযায়ী শ্রমিকের তকমা ঝেড়ে ফেলে দিয়ে নিজের উদ্যোগে নিজের বাড়িতে শার্ট বানানোর কারখানা স্থাপন করে এলাকায় নজির সৃষ্টি করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে মুম্বইতে রাজমিস্ত্রির জোগাড়ে কাজ, তারপর ইঁটভাটা শ্রমিকের কাজ করতেন। এরপর বাড়ি ফিরে জামা তৈরির কাজ করে হাত পাকিয়েছিল। তবে মনে মনে তাঁর একটাই ইচ্ছা ছিল মালিকের অধীনে আর কাজ না করে একদিন নিজেই মালিক হবেন।
পরপর কলকাতায় একটি জামা প্রস্তুতকারাক সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে বাড়িতেই সেলাই কারখানা তৈরি করেন। রাজিমুদ্দিনের কারখানা ও বাড়িতে কাঁচামাল নিয়ে অনেকেই সেলাই কাজ করেন। এক সময়ের কাজের জন্যে ভিন রাজ্যে কাজে যাওয়া যুবক এলাকার যুবকদের কর্মসংস্থানের দিশা দেখাচ্ছেন।
(Feed Source: news18.com)
