
বৃহস্পতিবার অরুণাচল প্রদেশের একটি হাসপাতালে তলোয়ার হাতে থাকা একজন ব্যক্তি তার স্ত্রী ও কন্যাসহ তিনজনকে হত্যা করেছে এবং ছয়জনকে আহত করেছে। ছুরিকাঘাতে এই নারকীয় অত্যাচাের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে রাজ্যের রাজধানী ইটানগর থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে পূর্ব কামেং জেলার সদর দফতর সেপ্পা জেলা হাসপাতালে। সকাল ১১ টার দিকে যখন নিকম সাংবিয়া (৪০) নামে পরিচিত এক ব্যক্তি হঠাৎ ‘দা’ দিয়ে হাসপাতালের লোকজনকে আক্রমণ করতে শুরু করে, তখনই ছড়ায় চাঞ্চল্য। ধারালো ওই অস্ত্র নিয়ে সে হাসপাতালের ভিতরে ঢুকে তোলপাড় শুরু করে।
‘বামেং থেকে আসা ওই ব্যক্তি, কোনো উসকানি ছাড়াই লোকজনকে আক্রমণ করেছে। হামলায়, তার স্ত্রী তাদু সাংবিয়া (৩৮), মেয়ে নাকিয়া সাংবিয়া (২) এবং হাসপাতালের ভিতরে থাকা আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন, ’ বলছেন পূর্ব কামেংয়ের পুলিশ সুপার কামদাম সিকোম।
হামলার খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে ৩০০ মিটার দূরে সেপ্পা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ব্যক্তিকে থামানোর চেষ্টা করে। পরবর্তী সংঘর্ষে, সেপ্পা থানার অফিসার ইনচার্জ মিলনি গেইও তার হাতে জখম হয়েছেন।
‘আহতদের মধ্যে পাঁচজন গুরুতর জখম হয়েছেন যাদের মধ্যে ওই ব্যক্তির স্ত্রী, মেয়ে এবং একজন মেডিকেল অ্যাটেনডেন্ট পাখা ভেলি (৪৫) মারা গেছেন। গুরুতর আহত পুলিশ অফিসার সহ আরও দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নাহারলাগুনের টোমো রিবা ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড মেডিক্যাল সায়েন্সে (TRIHMS) স্থানান্তরিত করা হয়েছে। অন্য চারজন সামান্য আহত হয়েছেন,’ বলছেন সিকম।
পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে এবং হামলার পিছনের উদ্দেশ্য জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। খুনের মামলা রুজু করে তদন্তও শুরু হয়েছে।
সিকম বলেছেন,’প্রাথমিকভাবে, আমরা হামলার ধরন থেকে অনুমান করেছি যে অভিযুক্ত মানসিক ভারসাম্যহীন। কিন্তু তিনি যুক্তিপূর্ণভাবে আমাদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন এবং তাতে কোনো সমস্যা আছে বলে মনে হয় না। আমরা এখনও নিশ্চিত করতে পারিনি যে আক্রমণটি কিছু পারিবারিক সমস্যা দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিল কিনা।’
(Feed Source: hindustantimes.com)
