অশান্ত সময়েও বাংলাদেশ সীমান্ত আগলে অতন্দ্র প্রহরী তাঁরা! বিএসএফের কড়া নজরদারির প্রশংসায় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মাহিক সাহা

অশান্ত সময়েও বাংলাদেশ সীমান্ত আগলে অতন্দ্র প্রহরী তাঁরা! বিএসএফের কড়া নজরদারির প্রশংসায় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মাহিক সাহা

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে যাতে আন্তর্জাতিক সীমান্ত জুড়ে আরও কড়া নজরদারি চলে, সেই কথাও মনে করিয়ে দেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা।

অশান্ত সময়েও বাংলাদেশ সীমান্ত আগলে অতন্দ্র প্রহরী তাঁরা! বিএসএফের কড়া নজরদারির প্রশংসায় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মাহিক সাহা

আগরতলা:  দেশের সীমান্ত সুরক্ষার জন্য দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বিএসএফ। বিএসএফ জওয়ানরা হচ্ছেন সীমান্তের ফ্রন্ট লাইন ডিফেন্স। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার জন্য নতুন প্রযুক্তি চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সীমান্ত পাহারা দেওয়ার কাজে তাঁদের প্রশংসা করেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মাণিক সাহা। পাশাপাশি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে যাতে আন্তর্জাতিক সীমান্ত জুড়ে আরও কড়া নজরদারি চলে, সেই কথাও তিনি মনে করিয়ে দেন। প্রসঙ্গত, ত্রিপুরার সাথে বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে আটশো কিলোমিটার সীমান্ত আছে।

মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, “দেশের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বিএসএফ জওয়ানরা। বিশেষ করে সীমান্ত সুরক্ষায় দিনরাত একাকার করে কাজ করছেন আপনারা। ষাটের দশকে বাহিনীর প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের সুরক্ষায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে বিএসএফ। এজন্য আপনাদের অনেক বলিদান দিতে হয়েছে। সীমান্তের ফ্রন্ট রানার হচ্ছেন বিএসএফ জওয়ানরা। “

অশান্ত সময়েও বাংলাদেশ সীমান্ত আগলে অতন্দ্র প্রহরী তাঁরা! বিএসএফের কড়া নজরদারির প্রশংসায় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মাহিক সাহা

অশান্ত সময়েও বাংলাদেশ সীমান্ত আগলে অতন্দ্র প্রহরী তাঁরা! বিএসএফের কড়া নজরদারির প্রশংসায় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মাহিক সাহা         

মানিকের কথায়, “আপনারা আছেন বলেই আমরা নিরাপদে জীবন অতিবাহিত করতে পারছি। দেশের সর্বপ্রথম রক্ষক হচ্ছেন বিএসএফ জওয়ানরা। তারাই প্রথমে দেশকে রক্ষা করেন। দেশের অখন্ডতা রক্ষার জন্য সবসময় চিন্তাভাবনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বর্তমানে নতুন নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হচ্ছে। সীমান্ত এলাকাকে কিভাবে আরো সুরক্ষিত করা যায় সেনিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। বিএসএফ জওয়ানদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশকেও রক্ষা করতে হবে। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও গৃহমন্ত্রী সবসময় চিন্তাভাবনা করছেন।”

মুখ্যমন্ত্রী মাণিক সাহা আরও বলেন, “আজকাল সন্ত্রাসবাদীরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি হাতে নিয়ে দেশের অখণ্ডতার উপর আক্রমনের চেষ্টা চালায়। তাই আমাদেরও এর চাইতেও অধিক শক্তিশালী হতে হবে। আমি আগেও বিএসএফের নানা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছি। আমি এখানে এসে নিজের বাড়ির মতো অনুভূতি লাভ করি। বিএসএফ জওয়ানদের ট্রেনিং, সাহস, দেশের জন্য বলিদানের মধ্য দিয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। যারা যারা শহীদ হয়েছেন তাদের স্মরণ করার দিন। শহীদদের স্মরণ করার মধ্য দিয়ে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ঘরবাড়ি, পরিবার ছেড়ে দেশের জন্য আপনারা কাজ করে যাচ্ছেন। তাই আমি আপনাদের অভিবাদন জানাতে চাই। পাচার বাণিজ্য রোধ করা থেকে শুরু করে অনুপ্রবেশ রুখে দেওয়া সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যকলাপ রোধে বিএসএফ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। ত্রিপুরাকে ঘিরে ৮৫৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এই সুদীর্ঘ এলাকাকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী। প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গেও বিএসএফ সুসম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করেছে। যা আগামীতেও বহাল থাকবে। বিএসএফের লক্ষ্য হচ্ছে ‘জীবন পর্যন্ত কর্তব্য’। “