
‘যমালয়ে জীবন্ত ভানু’ সিনেমায় অভিনয় করে খুব ভাল লাগছে। অনেক বড় বড় অভিনেতার সঙ্গে অভিনয় করার সুযোগ মিলেছে এখানে। এইখানেই থেমে নেই শুভদ্বীপ। বর্তমানে তাঁর আরও কয়েকটি সিনেমার শুটিং চলছে।
লদহের যুবক, জেলার নাম উজ্জ্বল করলেন”>

লদহের যুবক, জেলার নাম উজ্জ্বল করলেন”>
মালদহ: বড় পর্দায় অভিনয় করে মালদহের মুখ উজ্জ্বল করল শুভদ্বীপ। বাংলা সিনেমা ‘যমালয়ে জীবন্ত ভানু’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন মালদহ শহরের যুবক শুভদ্বীপ চক্রবর্তী। মালদহ শহরের বেলতলা এলাকার বাসিন্দা শুভদ্বীপের সিনেমার প্রতি ঝুঁকি পড়াশোনার সময় থেকেই। ইচ্ছে থাকলেও মধ্যবিত্ত পরিবারে থেকে সিনেমা নিয়ে দূরে কোথাও পড়াশোনা করতে যাওয়ার সুযোগ হয়নি।
তবে, মালদহেই সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনা শুরু করে। গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা নিয়ে স্নাতকোত্তর করে। পাশাপাশি নাটক-সহ বিভিন্ন জায়গায় অভিনয় শুরু। তারপর কলকাতায় গিয়ে অভিনয়ে তালিম দেওয়া শুরু। কয়েক বছরেই সাফল্য। অল্প অল্প করে সিনেমায় সুযোগ মেলে। এখন পর্যন্ত শুভদ্বীপ মোট ৬ টি সিনেমায় অভিনয় করেছে। তবে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘যমালয়ে জীবন্ত ভানু’ বড় মাপের সিনেমা।
বর্তমানে এই সিনেমা দর্শকদের কাছে আকর্ষণীয়। এই সিনেয়ায় টলিউডের একাধিক বড় মাপের অভিনেতাদের সঙ্গে অভিনয় করেছে শুভদ্বীপ। এই সিনেয়ায় তাঁর চরিত্রের নাম মানবেন্দ্র। অ্যাসিস্ট্যান্ট সাইন্টিস্ট হিসাবে অভিনয় করেছেন। তাঁর এই অভিনয়ও যথেষ্ট সারা ফেলেছে দর্শকদের মধ্যে। অভিনেতা শুভদ্বীপ চক্রবর্তী বলেন, আমার লড়াইটা খুব কঠিন ছিল। মালদহ থেকে কলকাতায় অভিনয় করা সেখানে সুযোগ পাওয়া অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। সেই লড়াই আমি করেছি। এখন হাতে বেশ কয়েকটি সিনেমার কাজ চলছে।
‘যমালয়ে জীবন্ত ভানু’ সিনেমায় অভিনয় করে খুব ভাল লাগছে। অনেক বড় বড় অভিনেতার সঙ্গে অভিনয় করার সুযোগ মিলেছে এখানে। এইখানেই থেমে নেই শুভদ্বীপ। বর্তমানে তাঁর আরও কয়েকটি সিনেমার শুটিং চলছে। এমনকী ওয়েব সিরিজে ডিরেক্টর হিসাবেও কাজ শুরু করেছেন। তবে, মালদহের এক ছোট্ট এলাকা দুস্থ পরিবার থেকে কলকাতার টলিপাড়ার জার্নি টা খুব সহজ ছিল না শুভদ্বীপের। বাড়িতে বর্তমানে মা একা থাকেন। ছেলেকে সম্পূর্ণ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এখন ছেলে অভিনয় জগতে ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠিত হয়ে উঠছে। শুভদ্বীপের এমন সাফল্যে খুশি মালবাসীরাও।
হরষিত সিংহ