
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মহারাষ্ট্রে বিজেপির জয়ের পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইন্ডিয়া জোটের মুখ হিসেবে তুলে ধরার দাবি জোরাল হচ্ছে। কয়েকদিন আগেই এনিয়ে সরব হয়েছিল সমাজবাদী পার্টি। এবার মমতার হয়ে সওয়াল করলেন লালু প্রসাদ যাদব। আপত্তি নেই জেএমএমেরও।
কিছুদিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইন্ডিয়া জোটের মুখ হিসেবে তুলে ধরার দাবি করেছিলেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। এবার লালুপ্রসাদ যাদব বললেন, জোট নেতৃত্বের দায়িত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দেওয়া উচিত।
সম্প্রতি রাজ্যের ৬ বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জোটের দায়িত্ব দেওয়ার ব্যাপারে জোরাল দাবি তোলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল তিনি বলেন, বুঝতে হবে কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইন্ডিয়া জোট ফেল হয়ে গিয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে যে লড়াইটা হওয়ার প্রয়োজন ছিল তা হচ্ছে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেতৃত্বে নিয়ে এলে ভালোই হবে। দেশে এখন যতজন নেত্রী রয়েছেন তার মধ্য়ে সবার উপরে রয়েছে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের নাম রয়েছে। কারণ তাঁর লড়াকু মনোভাবের জন্য। ইগো ত্যাগ করা উচিত কংগ্রেসের।
তৃণমূল শিবির থেকে দলের বহু নেতাই দাবি করেছিলেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইন্ডিয়া জোটের মুখ করা হোক। ঘাসফুল শিবিরের নেতাদের সেই দাবি তাদের মধ্য়েই সীমাবদ্ধ ছিল। এবার দেখা যাচ্ছে জোটের অন্যান্য দলগুলি সরব হয়েছে। সপা নেতারা বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেতা করলে তাদের কোনও আপত্তি নেই। শিবসেনারও এতে আপত্তি নেই বলে তারা জানিয়েছে। এখন লালু প্রসাদ যাদব বলছেন মমতাকে দায়িত্ব দেওয়া হোক। শুধু তাই নয় লালু আরও বলেছেন, কংগ্রেস যদি এতে আপত্তি করে তাহলে তার কোনও গুরুত্ব নেই। এভাবেই মমতার জন্য সুর চড়াচ্ছে ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গীরা।
কেন এমন দাবি? রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, সর্বভারতীয় রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রহণযোগ্যতার কোনও বিকল্প নেই। তিন বার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, একাধিকবার সাংসদ হয়েছেন, কেন্দ্রে মন্ত্রী ছিলেন। ফলে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে। অখিলেশ যাদব, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তেজস্বী যাদব কিছুটা হলেও মমতার পরামর্শ নিয়েই চলেন। ফলে মমতার কোনও বিকল্প নেই।
(Feed Source: zeenews.com)
