রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামাঙ্কিত এই প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হবে হুগলি জেলার ধনেখালিতে। কালীপদ সাহা মেমোরিয়াল ট্রাস্ট নামের এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ওই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করবে। এদিকে উত্তর ২৪ পরগনার আগরপাড়ায় রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করছে রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশন
কলকাতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বাংলায় আরও তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হতে চলেছে। বিধানসভায় পাশ হয়ে গিয়েছে দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিল। রাজ্য বিধানসভার অধিবেশনে ‘দ্য রামকৃষ্ণ পরমহংস ইউনিভার্সিটি বিল ২০২৪’ ও ‘দ্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইউনিভার্সিটি বিল ২০২৪’ নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন বিজেপির বিধায়ক শান্তনু পরামানিক,আনন্দময় বর্মন,অম্বিকা রায়,শঙ্কর ঘোষ ও শাসক দলের তরুণ কুমার মাইতি, রফিকুল ইসলাম মণ্ডল,মঞ্জু বসু, মহম্মদ আলি, নির্মল ঘোষ, আই এস এবং বিধায়ক নৌশদ সিদ্দিকি। বিলের উপর ভাষন দেন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামাঙ্কিত এই প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হবে হুগলি জেলার ধনেখালিতে। কালীপদ সাহা মেমোরিয়াল ট্রাস্ট নামের এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ওই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করবে। এদিকে উত্তর ২৪ পরগনার আগরপাড়ায় রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করছে রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশন। ‘দ্য রামকৃষ্ণ পরমহংস বিশ্ববিদ্যালয় বিল ২০২৪’ নিয়ে আলোচনায় বিরোধী বিধায়ক শান্তনু পরামাণিক বলেন, ” বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে ভাল, তবে এর পরিকাঠামোর বিষয়টি স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে আলোচনা বা প্রদর্শন করলে ভালো হতো। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ঠিকঠাক চলুক।” শাসক দলের বিধায়ক তরুণ মাইতি বিলকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, ”জাতীয় শিক্ষা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ও মান্যতা দিয়ে এই বিল তৈরি হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ‘ন্যাক’ এর গাইডলাইন মানতে হবে। নানা বিষয়ে এখানে পড়ানো হবে। রিসার্চ ওর্য়াক থাকবে এই বিদ্যালয়ে। ভিজিটার চ্যান্সেলর থাকবে যা এককথায় পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার ইতিহাসে ল্যান্ডমার্ক।”
নৌশদ সিদ্দিকি বলেন, ” শিক্ষা ব্যাবস্থাকে বেসরকারির হাতে তুলে দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বেসরকারিকরণের পাশাপাশি রাজ্য তাকে অনুসরণ করছে।
” শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ” গোটা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জলাঞ্জলি! রিসার্চের কাজ বন্ধ করে দিচ্ছে। আলোচনায় অংশগ্রহনকে ধন্যবাদ জানাই।” বিধায়ক শান্তনু পরামাণিকের প্রশ্নের উত্তরে ব্রাত্য বসু বলেন, ” স্ট্যান্ডিং কমিটি সব করলে উচ্চশিক্ষা দফতরটা তুলে দিতে হয়।”
(Feed Source: news18.com)