
Education: টানা ৪ বছর ধরে এই স্কুলে যা হচ্ছে…ভাবনাতীত! সত্যিটা জানলে ‘বমকে’ যাবেন


হাওড়া: শিক্ষাগত সহযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়কে উৎসাহিত করার মাধ্যমে, ভারত এবং জাপান দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিশ্বব্যাপী শিক্ষা প্রদানের জন্য ভারত ও জাপান ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।
২০২১ সাল থেকে দুই দেশের ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকদের মধ্যে এই প্রক্রিয়া চলছে | একদিকে শিক্ষা বিষয়ে ছাত্রছাত্রীদের জ্ঞান বৃদ্ধির পাশাপাশি দুই দেশের প্রাকৃতিক বিপর্যয় এবং সেই বিপর্যয় মোকাবিলার বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করছে ছাত্র-ছাত্রীরা। দিন দিন এ বিষয়ে দারুণ আগ্রহ বাড়ছে। সারাদেশের মধ্যে বেলেঘাটার লী কলিং হাই স্কুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে |
পরিবেশের ভারসাম্য বজায় গ্লোবাল ওয়ার্মিং প্লাস্টিক বর্জন-সহ বিভিন্ন বিষয়ে অবগত করতে শিক্ষক সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী এ বিষয়ে নানা প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। উচ্চ শিক্ষা, গবেষণা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের দ্বার উন্মোচন করে, আমরা উত্তর-পূর্ব ভারতের যুবকদের বৈশ্বিক সুযোগে অংশ নিতে ক্ষমতায়ন করছি। ভারত এবং জাপানের মধ্যে এই সহযোগিতা আমাদের অঞ্চলের শিক্ষাগত এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেও জানালেন সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী।
স্কুলের পাশাপাশি হাওড়ার তার গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীদের এ বিষয়ে উৎসাহ দিতে এক্সচেঞ্জে অংশগ্রহণ করাচ্ছেন। এ বিষয়ে তাঁদের এই প্রোগামে অংশগ্রহণ করার অভিজ্ঞতা জানালেন হাওড়ার দুই বিদ্যালয়ের ছাত্রী সৃজনা চক্রবর্তী এবং তন্নিষ্ঠা শীল। ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট নিয়ে এই এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে বেশি আলোচনা হয় বলে জানালেন তাঁরা।
ভারত এবং জাপানের এই এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম শিক্ষাগত বিনিময় কর্মসূচির বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আলোকপাত করেছে। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য আন্ত-সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা এবং এক্যাডেমিক সাধনায় নিয়োজিত হওয়ার অগণিত সুযোগের উপর আলোকপাত করেছে |
এ বিষয়ে দারুন উৎসাহিত জাপানী ছাত্র ছাত্রী এবং জাপানী স্কুল শিক্ষকরা। জাপানের নিগাটা হাই স্কুলের শিক্ষিকা ইচিকো মাৎসুই জানান, এতে তারাও দারুন উৎসাহিত ভারতের স্কুল পরিদর্শনে আগ্রহী। দুই দেশের ছাত্র ছাত্রী এবং শিক্ষকদের মধ্যে এই এক্সচেঞ্জ প্রতিমাসে অন্ততপক্ষে দুইবার আয়োজন করা যায় তাতে আরও বেশি উদ্দেশ্য সফল হবে বলে জানিয়েছেন।
বেলেঘাটা লী কলিং হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সুদীপ কুমার মন্ডল এবং অন্যান্য বেশ কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন অনলাইন এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে। তারাও এ বিষয়ে দারুন উৎসাহিত। তেমনি উৎসাহিত ডঃ পল্লবী মিত্র এনভায়ারমেন্টাল স্টার্ডি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়।।
রাকেশ মাইতি